Thursday, January 30, 2020

Transformer -1

***ট্রান্সফরমার এর গঠন ও কার্যপ্রণালী নিয়ে কিছু প্রশ্ন ও উত্তরঃ
প্রশ্নঃ ট্রান্সফরমার কি?

উত্তরঃ সহজ কথায় বলা যায়, এমন একটি ইলেক্ট্রনিক/ইলেকট্রিক্যাল যন্ত্র যেটি ইনপুট হিসেবে ইলেক্ট্রিক পাওয়ার নিয়ে আউটপুটেও ইলেকট্রিক পাওয়ার দিবে, কিন্তু এদের মধ্যে কোন তারের সংযোগ থাকবে না।
কিন্তু, তাত্ত্বিক ভাবে বলতে গেলে বলতে হবে, ”ট্রান্সফরমার এমন একটি স্থির যন্ত্র বিশেষ যেখানে কারেন্টের সাপেক্ষে, এসি সাপ্লাই এর ভোল্টেজ বাড়ানো হয় নয়ত কমানো হয়”।
ইংরেজি শব্দ ট্রান্সফরম (Transform) থেকে ট্রান্সফরমার (transformer) নামটি উদ্ভুত। যার বাংলা অর্থ কোন কিছুকে ট্রান্সফরম বা রূপান্তর করা।
আমাদের দৈনন্দিন দেখা ট্রান্সফরমার সমূহ ভোল্টেজ ও কারেন্ট কে ট্রান্সফরম করে ব্যবহার উপযোগী করে বিধায় এটির নাম এমন দেয়া হয়েছে।

প্রশ্নঃ ট্রান্সফরমার কিভাবে কাজ করে?

উত্তরঃ ট্রান্সফরমার মূলত মিউচুয়াল ইন্ডাকশনের মাধ্যমে কাজ করে। প্রাইমারী থেকে সেকেন্ডারী তে পাওয়ার ট্রান্সফার করে এই পদ্ধতি তে।

প্রশ্নঃ ট্রান্সফরমার কেন ব্যবহার করা হয়?

উত্তরঃধরুন পাওয়ার স্টেশন থেকে আপনার বাসা অনেক দূরে। তখন আপনি যদি আপনার প্রয়োজনীয় ভোল্টেজ পেতে চান তাহলে সেখানে একটি স্টেপআপ ট্রান্সফরমার দিয়ে বাড়িয়ে তা দূরবর্তী স্থানে যেখানে আপনার বাসা অবস্থিত, সেখানে সঞ্চালিত করা হয়।
আবার, আপনার বাসায় এসি লাইন দিয়ে সরাসরি শখের প্রজেক্ট কিংবা সার্কিট কিংবা জরুরী ব্যবহার্য্য টিভি, ডিভিডি, টর্চ, চার্জ লাইট ইত্যাদি কে কখনই চালাতে পারবেন না। 
প্রথমে আপনাকে অবশ্যই মেইন লাইনের ভোল্টেজ কে কমিয়ে উক্ত সাকিট বা যন্ত্রের উপযুক্ত করতে হবে। আর এই কাজটিই করে থাকে ট্রান্সফরমার।

প্রশ্নঃ কেন দূরবর্তী স্থানে সঞ্চালনের জন্য হাই ভোল্টেজ ট্রান্সফরমার ব্যবহার করা হয়?

উত্তরঃআমরা জানি যে পাওয়ার এর সূত্রানুযায়ী,
P = V × I

এখানে,

P = পাওয়ার,
V = ভোল্টেজ,
I = কারেন্ট

অর্থাৎ, ভোল্টেজ ও কারেন্টের সমন্বয়েই মোট পাওয়ার। অতএব, কারেন্টের পরিমাণ কমিয়ে ভোল্টেজ বৃদ্ধি করলেও মোট পাওয়ার প্রায়ই সমান থাকবে।
আবার, কারেন্ট প্রবাহমাত্রা নির্ভর করে ক্যাবলের পুরুত্ব বা ক্যাবল কতোটা মোটা তার উপরে। অর্থাৎ ক্যাবল মোটা হলে বেশি কারেন্ট প্রবাহিত হতে পারবে আবার চিকন হলে কম কারেন্ট প্রবাহিত হবে। অন্যদিকে ক্যাবলের কম পুরু হলে খরচ কম হবে।
ট্রান্সমিশন লাইনে ভোল্টেজ বাড়িয়ে, কম কারেন্ট ব্যবহার করলে ট্রান্সমিশন ক্যাবলের খরচ কম পড়বে।
এছাড়াও কারেন্ট প্রবাহ কম হলে ট্রান্সমিশন লাইন কম উত্তপ্ত হবে তাই কপার লস কম হবে, ফলে লাইনের আড়াআড়ি ভোল্টেজ ড্রপ কম হবে।
ইত্যাদি বিষয়সমূহ বিবেচনা করে ট্রান্সমিশন লাইনে মোট পাওয়ার কে ঠিক রেখে কারেন্ট কমিয়ে দিয়ে ভোল্টেজ বৃদ্ধি করে সঞ্চালন করা হয়।

প্রশ্নঃ ট্রান্সফরমার মূলত কি কি জিনিস নিয়ে তৈরি হয়?

উত্তরঃ ট্রান্সফরমার মূলত নিম্নোক্ত জিনিস গুলো দ্বারা তৈরি হয়।

১। প্রাইমারী কয়েল
২। সেকেন্ডারী কয়েল ও
৩। ম্যাগনেটিক কোর

এছাড়াও প্রকারভেদ ও প্রয়োজন অনুসারে আরো বিভিন্ন যন্ত্রাংশ ব্যবহার হয়ে থাকে।

প্রশ্নঃ সংযোগ ছাড়া এক কয়েল থেকে অপর কয়েলে কিভাবে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়?

উত্তরঃ এটাকে বলা হয় মিউচুয়াল ইন্ডাকশন। অর্থাৎ প্রাইমারী কয়েলে বিদ্যুৎ প্রবাহিত করলে এর চার পাশে একটি ম্যাগনেটিক ফিল্ড বা তড়িৎ চুম্বকীয় আবেশের সৃষ্টি হয়। আর এই ফিল্ড থেকে ফ্লাক্স সংগ্রহ করে সেকেন্ডারী কয়েল।
তখন তাদের মধ্যে একটি মিউচুয়াল/কমন ইন্ডাকশন এর তৈরি হয়। যার ফলে সেকেন্ডারীতে তড়িৎ প্রবাহিত হয়। এই প্রবাহিত তড়িৎ এর মান নির্ভর করে সেকেন্ডারী ও প্রাইমারী তে ব্যবহৃত প্যাঁচ সংখ্যার উপরে। যাকে বলে ট্রান্সফরমারমেশন রেশিও।

প্রশ্নঃ ট্রান্সফরমার কোন সূত্রের উপর ভিত্তি করে চলে?

উত্তরঃ এটি ফ্যারাডের সূত্রের উপর ভিত্তি করে চলে। এখন প্রশ্ন জাগতে পারে ফ্যারাডে সাহেব তো বলেছিলেন যে-
একটি ম্যাগনেটিক ফিল্ডকে আরেকটি কয়েল দ্বারা আবিষ্ট করতে হলে অবশ্যই তাদের যে কোন একটি কে নড়াচরা করতে হবে। তাছারা ফ্লাক্স আবিষ্ট হবে না।
হ্যা, তবে সেটা ছিল ডিসি এর ক্ষেত্রে। আর ট্রান্সফরমার এসি বা পালসেটেড ডিসি তে চলে। তাই এটাকে আর আলাদা করে নাড়াতে হয় না। কারন এর তরঙ্গ আপনা আপনি ই অনুড়িত হতে থাকে।

প্রশ্নঃ একটি ট্রান্সফরমার এর এফিশিয়েন্সি শতকরা কত?

উত্তরঃ পৃথিবীতে কোন মেশিনই আজ পর্যন্ত আবিষ্কৃত হয় নি যার এফিশিয়েন্সি বা আউটপুট ১০০ ভাগ। একমাত্র ট্রান্সফরমারই এমন একটি যন্ত্র যার আউটপুট পাওয়ার প্রায় ইনপুটের ৯০% থেকে ৯৯%। মানে এখানে পাওয়ার লস খুবই কম বা এক্কেবারেই নগন্য।
এফিশিয়েন্সি মানে হচ্ছে কোন যন্ত্রের ইনপুট ও আউটপুটে প্রদত্ত শক্তির তুলনা যার মাধ্যমে যন্ত্রটির দক্ষতা পরিমাপ করা যায়।

প্রশ্নঃ ট্রান্সফরমার এর ক্ষমতার একক কি এবং কেন?

উত্তরঃ ট্রান্সফরমারের ক্ষমতার একক কেভিএ (KVA)। অর্থাৎ কিলোওয়াট ভোল্ট এম্পিয়ার। কারণ টা হল, আমরা জানি যেকোন মেশিনের ক্ষমতার একক নির্ধারণ করা হয় তার #লস এর উপর ভিত্তি করে। এখানেও ঠিক একই বিষয়। ট্রান্সফরমারের লস গুলো হল

১। আয়রন লস/কোর লস
২। কপার লস

আচ্ছা, তো এখন আয়রন লস মানেই ভোল্টেজ এর ব্যাপার, আর কপার লস মানেই কারেন্ট এর লস। তাহলে মোটের উপর দাঁড়াল ভোল্ট এম্পিয়ার। এ জন্যেই ট্রান্সফরমার এর ক্ষমতার একক হিসেবে কিলোওয়াট ভোল্ট এম্পিয়ার বা কেভিএ (kVA) লেখা হয়ে থাকে।

প্রশ্নঃ আইডিয়াল ট্রান্সফরমার কি?

উত্তরঃ আসলে যেকোন মেশিন বা বস্তুর ই আইডিয়াল ফর্ম বা তার আদর্শ একটি অবস্থাকে বুঝায় যেখানে তার লসের পরিমাণ ০%। 
মূলত ল্যাবরেটরিতে গবেষণার সময় এই আদর্শ মান কে ব্যবহার করা হয়। মানে ইনপুটে দেয়া পাওয়ারের ১০০%-ই আউটপুট পাওয়া যাবে।
কিন্তু বাস্তবিক পর্যায়ে তা হয় না। কারণ যখন ওই যন্ত্রকে যখন বাস্তবে রূপ দেওয়া হয় তখন অনেক গুলো লস এসে সামনে পথ আটকায়।

প্রশ্নঃ ট্রান্সফরমার এর কোরের মধ্যে ইনসুলেশন বা পাতলা আবরণ কেন ব্যবহার করা হয়?

উত্তরঃ ছোট ট্রান্সফরমারের কোরের মধ্যে আসলে অনেক গুলো (E) এবং (I) এবং বড় সাইজের ট্রান্সফরমারের আলাদা আকৃতির স্টিলের পাত দেখা যায়।আসলে এই প্রতিটি পাতের গায়ে এক প্রকার ভারনিশ/লেমিনেশন পেইন্ট ব্যবহার করা হয়। কারন এতে ইলেকট্রিক শর্ট সার্কিট হওয়ার ভয় থাকে না।কিন্তু ইন্সুলেশন দেওয়ার প্রধান কারণ হল যাতে একেকটি কোর আলাদা ভাবে থাকতে পারে। তারা যেন একে অন্যের গায়ে লেগে না যায়। এতে তাদের আলাদা আলাদা কোরের রেজিস্টেন্স অনেক কম থাকে বিধায় ভোল্টেজ ড্রপ কম হয়।
যদি কোন ইনসুলেশন ব্যবহার না করা হত তাহলে সবগুলো কোর মিলে একটি বড় সাইজের কোরে পরিণত হতো এবং এর আয়তন বেড়ে যেত। ফলে এর রেজিস্টেন্স ও অনেক বেশি হয়ে যেত। ফলে অনেক ভোল্টেজ ও ড্রপ হত। তাই এই লস ঠেকাতেই ট্রান্সফরমারে ইনসুলেশন ব্যবহার করা হয়।

প্রশ্নঃ এডি কারেন্ট লস কি?

উত্তরঃ ট্রান্সফরমারের আয়রন লস টা নির্ভর করে ম্যাক্সিমাম ফ্লাক্স ঘনত্ব আর সাপ্লাই ফ্রিকোয়েন্সি এর উপর। 
যেহেতু ট্রান্সফরমার সব সময় নির্দিষ্ট অর্থাৎ ফিক্সড ফ্রিকোয়েন্সি আর সাপ্লাই ও ফিক্সড তাহলে এখানে কোর ও আয়রন লস প্র্যাক্টিক্যাল যেকোন লোডের জন্যই সমান হয়। অর্থাৎ এখানে আয়রন/কোর লস কন্সট্যান্ট বা অপরিবর্তিত লস হিসেবে গণ্য হয়।
আর এটিই মুলত এডি কারেন্ট লস নামে পরিচিত।

প্রশ্নঃ এডি কারেন্ট লস কিভাবে কমানো যায়?

উত্তরঃ এডি কারেন্ট লস কমাতে চাইলে অবশ্যই কোরের লেমিনেশন গুলো কে যথা সম্ভব পাতলা/চিকন করতে হবে। এবং লেমিনেশন গুলোকে ভালভাবে লেমিনেটিং বা ইনসুলেটিং করা যায় তাহলে এডি কারেন্ট লস অনেকাংশে কমানো সম্ভব।

প্রশ্নঃ হিসটেরেসিস লস কিঃ

উত্তরঃআমরা জানি ট্রান্সফরমার তৈরি হচ্ছে তড়িৎ চৌম্বকীয় বস্তু যেমন লোহা, ফেরাইট কোর প্রভৃতি দ্বারা। এখন এই ট্রান্সফরমার যখন কোন অল্টারনেটিং কারেন্টের দ্বারা বারবার ম্যাগনেটাইজ ও ডি-ম্যাগনেটাইজ করা হয় তখন এর অভ্যন্তরে থাকা অণু বা কোর ম্যাটেরিয়াল গুলো বারংবার দিক পরিবর্তন করতে থাকে। এই দিক পরিবর্তনের ফলে কিছু শক্তি তাপ হিসাবে নির্গত হয় যা কোন কাজে লাগে না। একেই হিসটেরেসিস লস বলে।এখানে উল্লেখ্য যে এই হিসটেরেসিস লস শুধু যে ট্রান্সফরমারেই হয় তা কিন্তু নয়। মোটর, জেনারেটর, ফ্যান থেকে শুরু করে যেখানেই কোন কয়েল কে চৌম্বকীয় বস্তুর উপর প্যাঁচানো হয় সেখানেই হিস্টেরেসিস লস দেখা যায়। তবে জেনারেটর আর ট্রান্সফরমার এ এই হিস্টেরেসিস লস টি বেশি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা হয়।

প্রশ্নঃ স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার কাকে বলে?

উত্তরঃযে ট্রান্সফরমারের প্রাইমারীতে ভোল্টেজ দিলে সেকেন্ডারীতে উচ্চ ভোল্টেজ পাওয়া যায় তাকে স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার বলে। আমরা ইউপিএস, আইপিএস, ইনভার্টার প্রভৃতি যন্ত্রপাতিতে যে ট্রান্সফরমার ব্যবহার করে থাকি সেগুলো স্টেপআপ প্রকৃতির ট্রান্সফরমার।

প্রশ্নঃ স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার কাকে বলে?

উত্তরঃযে ট্রান্সফরমার এর প্রাইমারীতে ভোল্টেজ দিলে সেকেন্ডারীতে অপেক্ষাকৃত নিম্ন ভোল্টেজ পাওয়া যায় তাকে স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার বলে। বেশীরভাগ ঘরের যন্ত্রপাতি যা আমরা ব্যবহার করি সেগুলোর ভেতরে স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমারই ব্যবহার করা হয়।

প্রশ্নঃ কিভাবে একটি স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার কে স্টেপ ডাউন করবো?

উত্তরঃ যদি আমরা কোন ট্রান্সফরমার কে স্টেপআপ করতে চাই তাহলে ট্রান্সফরমারের প্রাইমারী কয়েলের প্যাঁচ সংখ্যার তুলণায় সেকেন্ডারী কয়েলের প্যাঁচ বেশি করতে হবে। আর এই প্যাঁচ সংখ্যা নির্ণয় করতে হলে আমাদের কে ট্রান্সফরমারের প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফল জানতে হবে এবং সূত্রানুযায়ী ট্রান্সফরমারের প্রাইমারী ও সেকেন্ডারী কে প্রয়োজন মত প্যাঁচ দিয়ে নিতে হবে।

প্রশ্নঃ ট্রান্সফরমার রেশিও বলতে কি বুঝায়?

উত্তরঃ ট্রান্সফরমারের প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি কয়েলের ভোল্টেজ, প্যাঁচ সংখ্যা ও কারেন্টের মধ্যে যে সম্পর্ক থাকে, তাকে ট্রান্সফরমারের ট্রান্সফরমেশন রেশিও বলে। একে নিম্নোক্ত ভাবে প্রকাশ করা যায়-

Vp⁄Vs = Np⁄Ns = Is⁄Ip

এখানে,

Vp = প্রাইমারী ভোল্টেজ
Vs = সেকেন্ডারী ভোল্টেজ
Np = প্রাইমারী প্যাঁচ সংখ্যা
Ns = সেকেন্ডারী প্যাঁচ সংখ্যা
Ip = প্রাইমারী কারেন্ট
Is = সেকেন্ডারী কারেন্ট

প্রশ্নঃ কোন ট্রান্সফরমার এর এফিসিয়েন্সি কখন ম্যাক্সিমাম হয়?

উত্তরঃ যখন আয়রণ লস ও কপার লস প্রায় সমান হয় তখনই ওই ট্রান্সফরমারের ইফিসিয়েন্সি ম্যাক্সিমাম হতে পারবে।

প্রশ্নঃ ট্রান্সফরমার ঠান্ডা রাখার সবচেয়ে জনপ্রিয় বা ব্যবহৃত উপায় কি?

উত্তরঃ অয়েল কুলিং বা তেল দিয়ে করা হয়। এ ছাড়াও হাল আমলে এয়ার কুলিং, নাইট্রোজেন কুলিং, ওয়াটার কুলিং প্রভৃতিও ব্যবহার করা হয়।

প্রশ্নঃ লিকেজ ফ্লাক্স কি?

উত্তরঃ আমরা জানি ট্রান্সফরমার মিউচুয়াল বা কমন ইন্ডাকটেন্স এর মাধ্যমে বিদ্যুৎ প্রবাহিত করে। এখন, লিকেজ ফ্লাক্স বলতে বুঝায় প্রাইমারী ও সেকেন্ডারী কয়েলের যে ফ্লাক্স উৎপন্ন হয়। 
আর আরেকটি কথা হল যদি সেকেন্ডারি কয়েলের ফ্লাক্সের পরিমাণ প্রাইমারী এর চেয়ে বেশি হয় তাহলে আউটপুটেও স্বাভাবিকের চেয়ে কম ভোল্টেজ উতপন্ন হবে।

প্রশ্নঃ ট্রান্সফরমার কোর কি দিয়ে তৈরি হয়?

উত্তরঃ আসলে ট্রান্সফরমারের কোর গুলো নরমাল স্টেনলনেস স্টিল দিয়ে হয় না। এটার জন্য #সিলিকন #স্টিল নামক একধরনের স্টিল এর পাত ব্যহার করা হয় যা বাজারে পাওয়া যায়। তবে আসল নকল এর ও একটা বিষয় কিন্তু সব জায়গাতেই আছে।

প্রশ্নঃ ট্রান্সফরমারের কোরের লেমিনেশন/ইনসুলেশন কতটুকু পুরু হয়ে থাকে?

উত্তরঃ আসলে এই লেমিনেশন স্বাভাবিক ভাবে ০.৪মিমি থেকে ০.৫ মিমি পর্যন্ত হয়ে থাকে। তবে পাওয়ার লাইনে ব্যবহৃত অনেক ট্রান্সফরমারের লেমিনেশনের পুরুত্ব অনেক কম হয় (০.২ মিমি)।

প্রশ্নঃ একটি ট্রান্সফরমার কয়েল এর তার গুলো কি মানের হতে হবে?

উত্তরঃ একটি ট্রান্সফরমারের প্রাইমারী এমং সেকেন্ডারী কয়েল অনেক ভাল মানের অরিজিনাল কপার তার দিতে তৈরি করতে হবে।তাছাড়া এটার মধ্যে দিয়ে অতিরিক্ত রেজিস্ট্যান্স তৈরি হয়,ফলে ভোল্টেজ ড্রপ বেশি হয়,লসের পরিমাণ বেড়ে যায়।

প্রশ্নঃ অন লোড আর নো লোড কি?

উত্তরঃ ট্রান্সফরমারের আউটপুটে যখন কোন লোড লাগানো থাকে না তখন তাকে বলে “নো লোড কন্ডিশন”। আর যদি আউটপুটে লোড বিদ্যমান থাকে তাহলে তাকে বলা হয় “লোডেড কন্ডিশন”।

প্রশ্নঃ টরোয়েড বা টরয়েড ট্রান্সফরমার কি?

উত্তরঃ এখন আমরা আলোচনা করবো নতুন দের বিশেস সেনসেশন টরোয়েড ট্রান্সফরমার নিয়ে। এই টরোয়েড বা টরয়েড ট্রান্সফরমার (Toroid transformer) মূলত একই নীতিতে কাজ করে থাকে। 
এর প্রকৃত নাম টরোয়ডাল বা টরওয়ডাল ট্রান্সফরমার। এর গোল বা রিং আকৃতির জন্য এই নাম দেয়া হয়েছে। ইংরেজি টরাস (Torus) শব্দের অর্থ গোলাকার রিং বিশেষ। আর এই টরাস শব্দটি থকেই টরোয়েড শব্দটি এসেছে।

প্রশ্নঃ টরোয়েড ট্রান্সফরমার ব্যবহারের সুবিধা কি কি?

উত্তরঃ বিশেষ কিছু সুবিধার জন্য টরোয়ডাল ট্রান্সফরমার ব্যবহার করা হয়, যথাঃ

* একই আকৃতির সাধারন ট্রান্সফরমারের তুলনায় টরোয়েড ট্রান্সফরমার অনেক বেশি আউটপুট পাওয়ার দিতে সক্ষম

*উপযুক্ত ভাবে নির্মিত টরোয়েড ট্রান্সফরমার এর এফিশিয়েন্সি বেশি হয়ে থাকে।

*টরোয়েড ট্রান্সফরমার এর ইন্ডাকটেন্স মান বেশি হয় যা ক্ষেত্র বিশেষে সুবিধা জনক।

* টরোয়েড কোর ট্রান্সফরমার এর ম্যাগনেটিক ফ্লাক্স লিকেজ নাই বললেই হয়।

*অফ লোড লস অনেক কম।

*এর দ্বারা উৎপন্ন নয়েজ অনেক কম যা বিশেষ ভাবে সূক্ষ্ণ যন্ত্রপাতির জন্য অতীব জরুরী।

*ম্যাকানিক্যাল হাম বা নয়েজ ও অনেক কম। যা সাধারন EI কোর ট্রান্সফরমার এ অনেক বিরক্তির কারণ।

*এর গোলাকার আকৃতির জন্য একে সহজে যে কোন কিছুর সাথে সংযুক্ত করা যায়।

*একই ক্ষমতার সাধারণ ট্রান্সফরমার এর তুলনায় এর আয়তন প্রায় অর্ধেক হতে পারে।
এত সুবিধা থাকা সত্বেও টরোয়েড কোর ট্রান্সফরমার প্যাঁচানো ও এর নির্মান শৈলী জটিল হবার কারনে সাধারণ ব্যবহারের জন্য আমাদের দেশে তেমন জনপ্রিয় হয়নি।

“ডিপ্লোমা” শব্দের বিশ্লেষন

“ডিপ্লোমা” শব্দের বিশ্লেষন
ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের
জানা দরকার।
DIPLOMA=?
D= Development-উন্নয়ন
I= Improvement- অর্জনের
P= Preparation-প্রস্তুতি
L= Leadership-নেতৃত্ব
O= Organizational-সাংগঠনিO= Organizational-সাংগঠনিক
M= Management-ম্যানেজমেন্ট
A= Achievement-কৃতিত্ব
DIPLOMA= Development Improvement
Preparation Leadership Organizational for
Management Achievement.
উন্নয়ন অর্জনের জন্য

“ডিপ্লোমা” শব্দের বিশ্লেষন

“ডিপ্লোমা” শব্দের বিশ্লেষন
ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের
জানা দরকার।
DIPLOMA=?
D= Development-উন্নয়ন
I= Improvement- অর্জনের
P= Preparation-প্রস্তুতি
L= Leadership-নেতৃত্ব
O= Organizational-সাংগঠনিO= Organizational-সাংগঠনিক
M= Management-ম্যানেজমেন্ট
A= Achievement-কৃতিত্ব
DIPLOMA= Development Improvement
Preparation Leadership Organizational for
Management Achievement.
উন্নয়ন অর্জনের জন্য

Wednesday, January 29, 2020

নেসকো_এক্সাম_ফ্যাক্ট

#নেসকো_এক্সাম_ফ্যাক্ট......

1. পাওয়ার ফ্যাক্টর কি?
2. পাওয়ার ফ্যাক্টর বেশী হলে ভাল না কম হলে ভাল?
3. পাওয়ার ফ্যাক্টর ইমপ্রুভমেন্টে কেন করি?
4. ভোল্টেজ এবং কারেন্টের মধ্যে পার্থক্য কি?
5. পিএলসি কি? কেন পিএলসি ব্যাবহার করি?
6. সার্ভো ড্রাইভ মোটর কি?
7. সার্কিট ব্রেকারে আগুন লাগলে কিভাবে নিভাবেন?
8. একটি কক্ষে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লাগলে আপনি প্রথমে কি করবেন?
9. সাধারণত পিটির সেকেন্ডারি ভোল্টেজ কত হয়?
10. একটি সিটির রেশিও বলুন।
11. আমরা সিটি/পিটি কেন ব্যবহার করি?
12. রিলে কি? কেন ব্যবহার করি? একটি ব্যবহার খেত্র বলেন।
13. বাংলাদেশে সর্বোচ্চ জেনারেশন ভোল্টেজ কত?
14. বাংলাদেশে পাওয়ার সিস্টেমে কোথায় কত ভোল্টেজ?
15. পিজিসিবি, ইজিসিবি, ডিপিডিসি এর কাজ কি?
16. ইন্ডাকশন মোটরে স্টার/ডেল্টা চালু পদ্ধতি কেন ব্যবহার করা হয়?
17. কোন সিম্বল ছাড়া একটি অ্যামমিটার, একটি ভোল্টমিটার দেয়া হল কোনটি অ্যামমিটার/
ভোল্টমিটার বাহির করতে পারবেন? কিভাবে?
18. আর্থিং ও নিউট্রাল কি?
19. কতগুলি রেজিস্টর হাতে ধরিয়ে দিয়ে বলতে পারে মাল্টিমিটার ছাড়া এগুলির মান বের করে দেখান। কি পারবেন না?
20. মাইক্রোকন্ট্রোলার ও মাইক্রোপ্রসেসর এর মধ্যে পার্থক্য কি?
21. AVR কি? এটি কিভাবে কাজ করে সংক্ষেপে বলেন?
22. ৪ টি ১২ ভোল্ট এর ব্যাটারি দিয়ে ২৪ ভোল্ট করতে চাইলে, ডায়াগ্রাম একে দেখান।
23. ফুল চার্জে ব্যাটারির ইলেক্ট্রোলাইট এর স্পেসিফিক গ্রাভিটি কত থাকে?
24. ১ হর্স পাওয়ার সমান কত ওয়াট?
25. সিঙ্গেল ফেজ ভোল্টেজ ২৩০ ভোল্ট হলে কেন লাইন ভোল্টেজ ৪০০ ভোল্ট হয়?
26. ট্রান্সমিশন লাইনে স্যাগের কি প্রভাব?
27. কখন একটি সার্কিটে ইম্পিড্যান্স রেজিস্ট্যান্সের সমান হবে?
28. পোলারিটি আর নন পোলারিটি ক্যাপাসিটরের মধ্যে পার্থক্য কি?
29. একটি ৩-ফেজ মোটরকে রিভার্স ঘুরাবেন কিভাবে?
30. বুখলজ রিলে কেন ব্যবহার করা হয়?
31. ডিফারেন্সিয়াল প্রটেকশন কেন ব্যবহার করা হয়? কোথায় ব্যবহার করা হয়?
32. ট্রান্সফরমার শর্ট সার্কিট প্রটেকশনের জন্য কি পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়?
33. কেন নিউট্রাল লাইনে শক লাগেনা?
34. তিন ফেজ মোটর স্টার্ট দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে স্টার্ট নেয় না গোঁ গোঁ শব্দ করে, সম্ভাব্য তিনটি কারন বলেন।
35. IEEE কি?
36. সেন্সর ও ট্রান্সডিউসারের মধ্যে পার্থক্য কি?
37. CFL এর পূর্ন নাম কি?
38. AWG/SWG কি?
39. সিঙ্গেল ফেজ মেটর বা ফ্যান চালু করতে ক্যাপাসিটর ব্যবহার করা হয় কেন?
40. ট্রান্সফরমার এর তেলের নাম কী?
41. একটি ডেল্টা -স্টার সংযুক্ত ট্রান্সফরমারের সেকেন্ডারিতে পাওয়ার, প্রাইমারি থেকে কত গুন কম বা বেশি হবে?
42. ফেজ সিকুয়েন্স কি?
43. ইনভার্টার দ্বারা কি করা হয়?!Magnetic contactor কি

H&M বায়ার এর কাজ পেতে হলে যেসব প্রশ্নের উত্তর জানা দরকার

H&M  বায়ার এর কাজ পেতে হলে যেসব প্রশ্নের উত্তর জানা দরকার

এইচ এন্ড এম বায়ার এর কাজ পেতে হলে যেসব প্রশ্নের উত্তর জানা দরকার  যেকোনো মালামাল স্টোর করার জন্য সঠিক নিয়মাবলী মেনে চলা হয় কি? (ঠিক মত বাতাস চলাচলের ব্যাবস্থা, প্যা্লেট এর ব্যা্বহার, দেয়াল থেকে দূরে, সঠিক উচ্চতা) । বাচ্চাদের পোশাক তৈরি ফ্যাক্টরিতে বাঁটন, এক্সেসরিস চেক করার জন্য স্যেফ-কিউ (SafQ) মেশিন আছে কি?


১. কোয়ালিটি টিম কি উৎপাদন বিভাগ থেকে স্বাধীনভাবে কাজ করে এবং সকল রিপোর্ট টপ ম্যানেজমেন্টকে অবহিত করে ?

২. এইচ এন্ড এম (H&M) স্যাম্পল রেস্পন্সিবল স্যাম্পল বানানোর পরে স্যাম্পল রিপোর্ট সহ (যদি কোন জায়গা বুঝতে অসুবিধা হয় সেটা সহ)  H&M অফিসে পাঠায় কি?

৩. ডুপ্লিকেট কাউন্টার স্যাম্পল গুলো কি প্রোডাকশন লাইনে কমেন্টস ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য সহ ঝুলান থাকে? 

৪. সকল প্রকার কালার / শেড এবং শেড ফ্যামিলি কান্ট্রি অনুযায়ী ও ডাই লট অনুযায়ী কালার কন্টিনিউটি কন্ট্রোল করা হয় কিনা?

৫. ওয়াস গার্মেন্টস / ফিউজিং পণ্য এর ক্ষেত্রে সকল স্রিংকেজ টেস্ট কাটিং এর প্রয়জনে, প্রত্যেক কালার লট অনুযায়ী করা হয় কিনা এবং রেকর্ড রাখা হয় কি?  

৬. ওয়াস গার্মেন্টস / ফিউজিং পণ্য এর ক্ষেত্রে সকল স্রিংকেজ কাটিং এর প্রয়জন অনুযায়ী প্যাটার্ন সমন্নয় (Adjust) করা হয় কি?

৭. সাপ্লায়ার এইচ এন্ড এম (H&M) বায়ার এর নির্দেশ অনুযায়ী নিকেল টেস্ট করে কিনা ?

৮. প্রোডাকশন শুরুর আগে এবং চলাকালীন সময়ে সাপ্লায়ার প্রতি স্টাইলের জন্য পি পি (PP) মিটিং করে কিনা? 

৯. RQS এর নিয়ম অনুযায়ী সাপ্লায়ার এর প্রসেস কন্ট্রোল সিস্টেম আছে কিনা ?

১০. গার্মেন্টস প্যাকিং এর সময় শুকনা এবং পরিস্কার থাকে কি ?

১১. ফ্যাক্টরি গুদামঘর (Warehouse) শুকনা এবং পর্যাপ্ত বাতাস চলাচলের সুব্যাবস্থা আছে কি?

১২. পোকামাকড় প্রতিরোধ এর জন্য ফিনিসিং সেকশনে, প্যাকিং, মেটাল ফ্রি জোন এ মশারি (NET) আছে কি?

১৩. উৎপাদন চলাকালীন অবস্থায় গার্মেন্টস ফ্লোর থেকে উচু জায়গায় রাখা হয় কি?

১৪. সকল প্রকার খাবার এবং খাবার সামগ্রী নির্ধারিত স্থানে রাখা হয় কি এবং ওয়াশ রুম, রান্না ঘর ও ডাইনিং রুম শুকনা এবং পরিস্কার থাকে কিনা?  


১৫. সাপ্লায়ার ব্র্যান্ড অনুযায়ী AQL / স্যাম্পল প্ল্যান ফলো করে কিনা ? এবং ফিনিসিং থেকে রেন্ডম অর্ডারে বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন সাইজ ও কালারের গার্মেন্টস চেক করে রেকর্ড রাখা হয় কি?

১৬. প্রোডাকশন চলাকালীন সময়ে বাঁটন, রিবেট, আইলেট এবং অন্যান্য এক্সেসরিস ৪ ঘণ্টা পরপর ৯০ নিউটন এ চেক করা হয় কি?

১৭. সকল টেস্ট করা গার্মেন্টস এর উপর তারিখ, সময়, সাক্ষর, মেশিন নং লিখে আলাদা করে বক্সে রাখা হয় কি? (প্রতি ৬ মাস পরপর বক্সে রাখা গার্মেন্টস নস্ট করে ফেলে দিতে হবে)

১৮. এইচ এন্ড এম (H&M) বায়ার এর ব্রোকেন নিডেল এবং অন্যান্য ধারাল বস্তুর নিয়ম কানুন মেনে চলা হয় কি?

১৯. সকল প্রকার সুইং বাঁটন কি লকস্টিচ মেশিন দিয়ে লাগানো হয়?

২০.  নিডেল ডিটেকশন এবং ধারালো বস্তুর ব্যাবহার নিয়ম অনুযায়ী করা হয় কি?

২১. প্রতিদিন নিডেল ডিটেকশন মেশিন টি তিনবার ৯ পয়েন্ট সিস্টেমে ক্যালিব্রেশন করা হয় কি?

২২. নিডেল ডিটেকশন করার পর গার্মেন্টস গুলো কি মেটাল ফ্রি জনে প্যাকিং এরিয়াতে আলাদা করে রাখা হয়?

২৩. রিজেক্ট গার্মেন্টস কি লক করা বক্সে রাখা হয়?

২৪. সকল ফিনিসিং করা গার্মেন্টস গুলো কি কান্ট্রি অনুযায়ী আলাদা করে প্যা্লেট এর উপরে এবং দেয়াল থেকে দূরে রাখা হয় এবং সঠিক ভাবে বাতাস চলাচলের ব্যাবস্থা নিস্তিত করা হয় কি?

২৫. সকল ধরনের কালার কি সম্পূর্ণ অন্ধকার অবস্থায় লাইট বক্সে চেক করা হয় ?

২৬. একসঙ্গে কি দুই জন ব্যাক্তি তিন ধরনের লাইট এ চেক করে এবং উৎপাদনের ১ম থেকে শেষ পর্যন্ত একই পদ্ধতি অবলম্বন করা হয় কি ?

২৭. এইচ এন্ড এম এর কালার গাইড অনুযায়ী লাইট বক্সে সকল লাইট (TL-83, D-65, A-Light, UV) আছে কি ?

২৮. লাইট বক্সে এর মধ্যে টিউব লাইট কি জোড়ায় আছে ? A – লাইট এর জন্য ৪০ WATT এর ৪ টি বাল্ব আছে কিনা এবং উজ্জলতা ১৫০০ লাক্স কি না? (TL-83, D-65 – ১০০০-১৩০০ LUX থাকতে হবে)

২৯. ফেব্রিক গাইড লাইন অনুযায়ী ৪ পয়েন্ট সিস্টেম অথবা এর সমসাময়িক নিয়ম অনুযায়ী ফেব্রিক ইন্সপেকশন করা হয়? (২ জন সর্বোচ্চ ২ ঘণ্টা একটানা চেক করতে পারবে এবং রেকর্ড রাখতে পারবে)

৩০. সাপ্লায়ার কি তার অধিকাংশ ফেব্রিকের ১০% ভিজুয়ালি ইন্সপেকশন করে এবং প্রত্যেক ডাই লট থেকে প্রতি কালারের কমপক্ষে ১০০০ মিটার ফেব্রিক কি চেক করা হয় ?

৩১. অন্যান্য সকল ধরনের ম্যাটিরিয়াল ইন্সপেকশন এর জন্য সাপ্লায়ার কি কোন ইন্সপেকশন পদ্ধতি অবলম্বন করে  এবং রেকর্ড রাখে?

Friday, January 17, 2020

ডায়োড

#প্রশ্নঃ ডায়োড
উত্তরঃ বর্তমান টেকনোলজিতে বহুল ব্যবহৃত কিছু ইলেকট্রনিক ডিভাইসের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ “ডাই” এবং “ইলেকট্রোড” এর সংক্ষিপ্ত রূপ হচ্ছে ডায়োড। আমরা সাধারনত ডায়োড বলতে বুঝি দুই ইলেকট্রোড বিশিষ্ট ইলেকট্রনিক্স ডিভাইসকে। সেমিকন্ডাক্টর হল একটি সাধারণ পি-এন জংশন আর জংশন হল একটি পি-টাইপ সেমিকন্ডাক্টর এর সাথে একটি এন-টাইপ সংযোগের ফলে সৃষ্টি হয় কার্যপ্রনালী।

#ডায়োড কি কাকে বলে?
ডায়োডের দুটি দিকে দুটি কানেক্টিং টার্মিনাল বা লিড থাকে এদের একটি অ্যানোড   অপরদিকে ক্যাথোড বলা হয়। যখন কোন সার্কিটের একটি অ্যানোড পজেটিভ এবং ক্যাথোড নেগেটিভ এর সাথে যুক্ত করা হয় তখন তাকে ফরওয়ার্ড বায়াস ডায়োড বলে। আর সার্কিটের কানেকশন সংযোগ উল্টো ভাবে করলে রিভার্স বায়াস ডায়োড বলা হয়। সাধারণত ডায়োডের গায়ে লেখা থাকে তার কোনটি অ্যানেড এবং কোনটি ক্যাথোড। তবে কিছু কিছু ডয়োডের অ্যানোডের এর দিকে পজেটিভ চিহ্ন এবং ক্যাথোড এরদিকে নেগেটিভ চিহ্ন দেওয়া থাকে এই গুলো দেখেই সাধারণত ডায়োড চিনতে হয়।

রেকটিফায়ার কি রেক্টিফিকেশন কি?
ডায়োড প্রধানত ব্যবহার করা হয় এসি কারেন্ট ভোল্টেজ কে ডিসিতে কারেন্টে রূপান্তরিত করার জন্য। আর এসি কারেন্টকে ডিসি কারেন্ট করার প্রক্রিয়াকে বলা হয় একমুখীকরণ বা রেক্টিফিকেশন। এবং এই ধরনের ডায়োড কে বলা হয় রেকটিফায়ার ডায়োড। রেকটিফায়ার একটি ডিভাইস সার্কিট কিন্তু রেক্টিফিকেশন হল উক্ত ডিভাইস বা সার্কিটের কাজ করার পদ্ধতি অধিকাংশ ইলেকট্রনিক্স কাজে ডিসি কারেন্ট সাপ্লাই এর প্রয়োজন হয়। এই কাজে ব্যাটারী ব্যবহার করলে অনেক বেশি খরচ হয়ে থাকে তাই বাণিজ্যিক ভিত্তিতে বিভিন্ন রেকটিফায়ার এর প্রয়োজন হয়। এজন্য ইলেকট্রনিক্সের পাওয়ার সাপ্লাইয়ে রেকটিফায়ার ডায়োড ব্যবহার করা হয় এই রেকটিফায়ার ব্যবহার করে রেগুলেটেড পাওয়ার সাপ্লাই সম্ভব তৈরী করা হয়।

#প্রশ্নঃ ডায়োড কত প্রকার কি কি?
ডায়োড বিভিন্ন প্রকারের হয়ে থাকে তার মধ্যে ইলেকট্রনিক্স সার্কিটে যে সকল ডায়োডের ব্যবহার সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করা হয় সেগুলো হলো :

জেনার ডায়োড ( Zenar Diode)
লাইট ইমিটিং ডায়োড (সংক্ষেপে এলইডি)
সেভেন সেগমেন্ট ডায়োড (এলইডি ডিসপ্লে)
ফটো ডায়োড (আলোর প্রতিফলনে কাজ করে)
টানেল ডায়োড (Tunnel Diode)
ভ্যারাক্টর ডায়োড (Varactor Diode)
স্কটকি ডায়োড (Schottky Diode)
ভ্যারিষ্টার ডায়োড (Barrister Diode)
আশা করছি আজ আমরা ডায়োড সম্পর্কে একটা প্রাথমিক ধারণা পেয়েছি।

Tuesday, January 14, 2020

থ্রি ফেইজে লাল,হলুদ,নীল কেন নিতে হল?

আমরা সবাই জানি, থ্রি ফেইজে তিনটা ভিন্ন বর্ণের তার থাকে। সেগুলো হল লাল, হলুদ, নীল। কিন্তু কেন ভিন্ন রং এবং এতগুলো রং থাকতে এই তিনটাই কেন নিতে হল? চলুন জানার চেষ্টা করব।

প্রথমত, ভিন্ন ভিন্ন রং ব্যবহার করার কারণ হচ্ছে যেন ফেইজ গুলোকে আলাদা ভাবে চিনা যায়। এখন, প্রশ্ন হল সবগুলোই ত ফেইজ, আলাদাভাবে চিনার দরকার কি? 
অবশ্যই আছে। কোন কারণে আপনি ফেইজ সিকুয়েন্স চেইঞ্জ করতে চাচ্ছেন তাইলে আপনি সেটা ভিন্ন রং এর তার হলে সহজেই পারবেন। একই রং এর তার হলে ফেইজ চেইঞ্জ করতে গেলে কনফিউশন এ পড়তে হবে। করলেও সন্দেহ থাকবে। আদো চেঞ্জ করা হয়েছে কিনা? যেমন দুই জমজ ভাই / বোন থাকলে তাদের পৃথক করাটা কষ্টকর হয়ে যায়।

এবার আসি, লাল, হলুদ, নীল কেন? 
ছোটবেলায় আমরা সবাই আর্ট শিখতে গিয়ে কিংবা পদার্থবিজ্ঞান এ পড়েছি এগুলোকে মৌলিক রং বলে। তাই অন্যান্য রং এর মধ্যে তাদের প্রাধান্য বেশি।

দ্বিতীয়ত, মানবমস্তিষ্ক এই তিনটি রং এর উপর বেশ sensitive. আমাদের অপটিক স্নায়ু খুব সহজেই এই তিনটি কালার সেন্স করতে পারে।

সবশেষে, এই তিনটি বর্ণের তরঙ্গদৈর্ঘ্য প্রায় কাছাকাছি। তাই বিক্ষেপণ হয় সমানভাবে। তাই সহজেই চোখে ধরা পড়ে। 
লাল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য = 700 nm
নীল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য = 400 nm
হলুদ আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য = 550 nm
আর লক্ষ্য করলে দেখবেন, হলুদ আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য লাল & নীল এর এভারেইজ মান। তাই, RYB কানেকশন এই আলোক বিক্ষেপণ খুব ভাল হবে। বর্ণ খুব সহজে চোখে পড়বে।

Saturday, December 28, 2019

ভাইভা-সংক্রান্ত দরকারি টিপস।

#ভাইভা-সংক্রান্ত দরকারি টিপস।

(অন্যান্য সরকারী চাকরীর ভাইভার জন্যও প্রয়োজ্য)

দৈনিক কালের কন্ঠ
০৭ আগষ্ট, ২০১৯

ভাইভা বোর্ডে..

১. ভাইভা বোর্ডে ঢোকার আগে এক গ্লাস পানি খেয়ে জোরে নিঃশ্বাস নেবেন, এতে নার্ভাসনেস অনেকটাই কেটে যাবে।

২. অনুমতি নিয়ে প্রবেশ করবেন, নিকটতম দূরত্বে গিয়ে সালাম বা আদাব দেবেন।

৩. বসতে না বললে বসবেন না। অনেকক্ষণ হয়ে গেলে বা না বসতে বলেই ভাইভা শুরু করলে ‘আমি কি বসতে পারি স্যার’ বলে অনুমতি নিয়ে নেবেন, এরপর অবশ্যই ধন্যবাদ জ্ঞাপন করবেন।

৪. চেয়ারে হাতল থাকলে (সাধারণত থাকে না) হাতলে হাত রাখবেন না, পা নাচানো বা হাতের মুদ্রাদোষ থাকলেও নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করবেন। সবচেয়ে ভালো হয় দুই হাতের আঙুলগুলো ক্রস করে, ঊরুর ওপর হাত রাখা।

৫. বাংলায় প্রশ্ন করলে ইংরেজিতে উত্তর দেওয়া আপনার অতিরিক্ত পরিপক্বতা, আবার ইংরেজিতে প্রশ্ন করলে বাংলায় উত্তর দেওয়া আপনার অদক্ষতা। তাই যে মিডিয়ামে প্রশ্ন করা হবে, সে মিডিয়ামেই উত্তর দিন।

৬. ভাইভা বোর্ডে আরগুমেন্ট করবেন না। ভাইভা বোর্ড ‘সর্বজান্তা’ চায় না, চায় ‘বিনয়ী মার্জিত’ অফিসার। কোনো প্রশ্নের উত্তর ‘আপনারটা সঠিক, বোর্ডেরটা ভুল’ হলেও প্রমাণ করতে যাবেন না। বিনীতভাবে বলবেন, ‘আমি এমনটাই জানি, স্যার। তবে আমার জানায় ভুল হতে পারে।’

৭. ভাইভা বোর্ডে একজনের উত্তর দেওয়ার সময় বোর্ডের অন্য কেউ প্রশ্ন করলে ‘আমি কি স্যারের উত্তর শেষ করে আপনার উত্তর দিতে পারি?’ বলে অনুমতি নিয়ে নেবেন।

৮. ভাইভা বোর্ডে রাজনৈতিক বা অন্য মতাদর্শকেন্দ্রিক প্রশ্ন হলে টেকনিক্যালি উত্তর দেবেন, যেন উত্তরটা এমনভাবে ধোঁয়াশা থাকে, যেন এটির মিনিং যেকোনো মতাদর্শকেন্দ্রিক হয়। বোর্ডকে খুশি করতে নিজেকে সরকারদলীয় বোঝাতে গেলে হিতে বিপরীতও হতে পারে।

৯. ভাইভায় আই কন্টাক্ট একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বোর্ড মেম্বার প্রশ্ন করার সময় মনোযোগী শ্রোতার মতো শোনার চেষ্টা করুন। উত্তর দেওয়ার সময়ও আই কন্টাক্ট লক্ষ করবেন। গম্ভীর না থেকে হাসিমুখে থাকুন।

১০. ভাইভা বোর্ডের নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে রাখবেন। যেমন—প্রবেশের সময় ‘মে আই কাম ইন প্লিজ’ বললে বোর্ড ইংরেজি মিডিয়ামে প্রশ্ন করতে উত্সাহিত হয়। তাই বাংলা মিডিয়ামে ভাইভা দেওয়ার ইচ্ছা থাকলে ‘ভেতরে আসতে পারি স্যার’ বলে ভাইভা মিডিয়াম নিজের নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেন (সাধারণ অর্থে, এর ব্যতিক্রমও হতে পারে)। প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার সময় তীক্ষ�ভাবে উত্তরের শব্দগুলো নির্বাচন করবেন। কারণ এর উত্তর থেকেই পরের প্রশ্ন হতে পারে। সিটি ব্যাংকের ম্যানেজমেন্ট ট্রেইনি ভাইভায় আমাকে বলেছিল, Say about Sundarbans। আমি ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট বলায়ই পরের প্রশ্ন ছিল, ‘ডিফাইন ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট’। আপনি যে টপিকগুলো ভালো পারেন বোর্ডকে টেকনিক্যালি সেদিকে ধাবিত করতে উত্তরে প্রাসঙ্গিক হলে আপনার জানা টপিকের ওয়ার্ডগুলো ঢুকিয়ে দিন। ওই ওয়ার্ডকে ধরেই পরের প্রশ্ন হতে পারে।

১১. চলে আসার সময় অবশ্যই ধন্যবাদ দিয়ে আসবেন। চেয়ার থেকে উঠে দুই-তিন স্টেপ পিছিয়ে টার্ন নেবেন। পৃষ্ঠ প্রদর্শন করবেন না। বের হওয়ার সময় দরজা ঠাস করে বন্ধ করবেন না, ওই সময়েই কিন্তু আপনার মার্ক লেখা হচ্ছে।

১২. আপনি প্রিলি রিটেন উত্তীর্ণ হয়েই ভাইভা বোর্ডে এসেছেন, তাই নতুন করে আপনার মেধা যাচাইয়ের আবশ্যকতা নেই বোর্ডের কাছে। আপনার ভেতর অফিসারসুলভ আচরণ আছে কি না, আপনাকে ঘষেমেজে অফিসার বানানো যাবে কি না, এটাই ভাইভা বোর্ড লক্ষ করবে। সব প্রশ্নের উত্তর আপনার জানা থাকার কথা নয়, আপনি একটা প্রশ্নের উত্তর না পারলে, এটা যে পারেন না, এ কথাটা যত সুন্দরভাবে গুছিয়ে বলতে পারেন, এটাই আপনার দক্ষতা।

১৩. ওপরের কোনো কৌশলের কোনো কিছুই হয়তো ভাইভা বোর্ডের মনে থাকবে না। এটা নিয়ে চিন্তার কিছু নেই। ভাইভা বোর্ডে জাস্ট উপস্থিত বুদ্ধি কাজে লাগানোর চেষ্টা করুন। ভাইভা বোর্ডে একেবারে নার্ভাস হবেন না। নার্ভাস হলেই যে পাস করবেন, নার্ভাস না থেকে খোশ মেজাজে থাকলে আপনার জব হবে না, এমনটা তো নয়। সব প্রশ্নের উত্তর পারলেই ক্যাডার হবেন, না পারলে হবেন না, এটিও নয়।

ড্রেস কোড..

আপনাকে যে ড্রেস পরলে ফরমাল বা মার্জিত লাগে সেটাই পরবেন।

♦ ছেলেদের জন্য..

১. ছেলেরা যেকোনো ফুলহাতা শার্ট পরতে পারেন হালকা রঙের, তবে সাদা হলে ভালো হয়। শার্টের নিচে ঘাম প্রতিরোধ ও গায়ের শেইপ যেন না দেখা যায় সে জন্য হাফ বা ফুলহাতা গেঞ্জি পরে নিতে পারেন।

২. প্যান্ট গাঢ় যেকোনো রং হতে পারে, তবে কালো রং ভালো হবে। বেল্ট কালো নরমাল হতে হবে, লেদার হলে ভালো, বেল্টে বকলেস না হয়ে আগের সময়ের ওল্ড স্টাইলের কাটা থাকলে ভালো।

৩. মোজা অবশ্যই কালো এবং লং হতে হবে, ভুলেও প্রাইভেট জব স্টাইলের শর্ট শকস পরবেন না। ভালো ব্র্যান্ডের হলে দুর্গন্ধ হওয়ার কোনো ঝামেলা পোহাতে হবে না। মোজা ব্যবহারের আগে তাতে কিছু ট্যালকম পাউডার দিয়ে নেবেন ঘাম ও দুর্গন্ধ প্রতিরোধের জন্য।

৪. কালো রঙের শু পরবেন, বাটার ফিতা শু, যেটা পিএটিসিতে ট্রেনিংয়ের সময় দেওয়া হয় (অক্সফোর্ড শু), সেটা হলে ভালো হয়। শুর সোল রাবারের হওয়া বাঞ্ছনীয়, তাহলে ঠক ঠক শব্দ হবে না।

৫. টাই পরার বাধ্যবাধকতা নেই। পরলে সাদা শার্টের সঙ্গে মেরুন অথবা নেভি ব্লু টাই পরবেন। সরকারি অফিশিয়াল রুলস অনুযায়ী অক্টোবর থেকে মার্চ শীতকালীন ধরে স্যুট ব্যবহার করতে বলা হয়, অন্য সময় বাদ। তবে যাঁদের স্যুট পরলে একটা গর্জিয়াস লুক আসে, তাঁরা অন্য সময়ও স্যুট পরতে পারেন।

৬. ভাইভায় মার্জিত দেখে হাতঘড়ি পরা উচিত। যেহেতু পিএসসিতে প্রবেশের সময় মোবাইল জমা রাখা হয়, হাতঘড়ি আপনার সময় সম্পর্কে ধারণা দেবে। সবচেয়ে বড় কথা হাতঘড়ি অফিসারসুলভ লুক এনে দেয় এবং এতে বোর্ড আপনাকে সময় সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে আপনাকে বিব্রত হতে হবে না।

৭. ভাইভা দেওয়ার দুই সপ্তাহ আগে চুল কাটাবেন, যেন ভাইভায় আসতে আসতে চুল মাঝারি শেইপে আসে। ভাইভার আগের রাতে শেইভ করবেন, ভুলেও ভাইভার দিন সকালে করবেন না, দেখতে বাজে লাগবে।

♦ মেয়েদের জন্য..

১. হালকা রঙের সুতি শাড়ি পরবেন, কলার ব্লাউজ এবং হাতা কোয়ার্টার বা লং হতে হবে।

২. হালকা প্রসাধন থাকতে পারে। অলংকার থাকলে একেবারে নরমাল।

৩. স্যান্ডেল অবশ্যই পাতলা স্লিপার হতে হবে। হাঁটার সময় যেন শব্দ না হয় সেটা খেয়াল রাখবেন অবশ্যই।

#collected

Thursday, December 26, 2019

Electeical Supervision Licences details

যারা বিদ্যুত বোর্ড থেকে A, B, C সার্টিফিকেট নিতে চান তাদের সুবিদার্থে পোষ্টটিঃ

মোট ৩ ধরনের সার্টিফিকেট/ লাইসেন্স দিয়ে থাকে ইলেকট্রিক্যাল লাইসেন্স বোর্ড।
১. টেকনিশিয়ানদের জন্য - ওয়ার্ক পারমিট সার্টিফিকেট
২. ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য- সুপারভাইজরি সার্টিফিকেট
৩. কোম্পানির জন্য- ঠিকাদারি লাইসেন্স

* বিদ্যুতের কাজের ঠিকাদারি করতে হলে কোম্পানিকে ঠিকাদারি লাইসেন্স নিতে হবে। আর ঠিকাদারি লাইসেন্স নিতে হলে সুপারভাইজরি সার্টিফিকেট থাকতে হবে।

* একজন টেকনিশিয়ান মানে নন ইঞ্জিনিয়ার কখনো সুপারভাইজরি সার্টিফিকেট নিতে পারবেনা।

* আর সুপারভাইজার হলে তার ওয়ার্ক পারমিট লাগবেনা।

এই তিন ক্যাটাগরিরই প্রতিটির আবার তিনটে করে গ্রেড/লেভেল আছে - A, B & C

A- উচ্চ ভোল্টেজ কাজের অনুমোদন।
B- মধ্যম ভোল্টেজ কাজের অনুমোদন।
C- নিম্ন ভোল্টেজ কাজের অনুমোদন।

নরমালি যারা পরীক্ষা নেয় তারা A দেয়ার লক্ষে প্রশ্ন শুরু করে (যারা A, B, C তিনটির জন্য একত্রে Apply করে)। কেননা, যে A পাওয়ার যোগ্যতা রাখে সে B & C পাওয়ারো যোগ্যতা রাখে। কখনো কখনো সব লেভেলেরই প্রশ্ন করে। তাই প্রস্তুতি সবগুলোর জন্যই নিয়ে রাখা ভাল।

তিনটি লেভেলের জন্য মানে A, B & C এর জন্য একত্রে আবেদন করাটাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে। তবে কারো যদি কনফিডেন্স কম থাকে তবে প্রথমে শুধু C অথবা B & C এর জন্য আবেদন করতে পারেন।

যেসব বিষয়ে প্রস্তুতি নিয়ে পরীক্ষার হলে যেতে হবেঃ
1. Basic Electricity
2. Control Diagram
3. Motor
4. Sub-station
5. Low & high voltage cable
6. Insulator name
7. SLD
8. Basic Instrument of Electrical Work
9. Etc

License Board Address
৫ম তলা, জোৎস্না কমপ্লেক্স, ২৪নং তোপখানা রোড, পুরানা পল্টন, ঢাকা

- মোঃ মাঈনুল ইসলাম
Sr. Manager & Head of Department (Electrical & Utility)
Dhaka Cotton Group(Spinning Division)

Friday, December 20, 2019

insulation resistance

একটি LT panel এর Red busbar থেকে Single phase MCB এর মাধ্যমে কিছু bulbs & fan এর জন্য 1.25 kw সংযুক্ত load এবং সরবরাহকৃত ভোল্টেজ 225V এ load চলতেছে।

Insulation Resistance কতো ?

Given,

1.25 kw = 1250 W
Voltage =  225 volts

এখন LT panel totally load current,

                             = 1250W ÷225V

                             = 5.55 A

গ্রহণযোগ্য Leakage current,

                             = 5.55A ÷ 5000

                             = 0.00111111111Ampere

Total Lowest Insulation Resistance,

                             = 225 ÷ 0.001111111 A

                             = 202500.00 ohm

                             = 2.02 Mohm.
ছবি প্রতিটি।

Sub station - 01

সাবস্টেশন রিলেটেড জব ভাইবা তে কি কি প্রশ্ন আসতে পারে তার কিছু আইডিয়া দেয়া হলো। 
#পার্ট-১

প্রশ্নঃ সাবস্টেশন কি?
উওরঃ সাবস্টেশন হচ্ছে পাওয়ার সিস্টেমের একটি অংশ যা বিদ্যুৎ উৎপাদন, পরিবহণ, সঞ্চালন, বিতরণ ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ।

প্রশ্নঃ ১১কেভি সাবস্টেশনের কি কি ইকুপমেন্ট থাকে?

Ø ট্রান্সফরমার

Ø LT সুইচগিয়ার

Ø HT সুইচগিয়ার

Ø PFI প্লান্ট

প্রশ্নঃ সুইচগিয়ার কি?
উওরঃ সুইচগিয়ার হচ্ছে বিভিন্ন যন্ত্রপাতি,যা বৈদ্যুতিক ব্যবস্থাকে সুইচিং,কন্ট্রোলিং এবং রক্ষা করে থাকে।( রিলে,সার্কিট ব্রেকার,ম্যাগনেটিক কন্টাক্টর ইত্যাদি)

প্রশ্নঃ সুইচগিয়ার কত প্রকার?

Ø LT সুইচগিয়ার

Ø HT সুইচগিয়ার

প্রশ্নঃ LT & HT সুইচগিয়ার বলতে কি বুঝ?
উওরঃ LT সুইচগিয়ারঃ
সাবস্টেশনের লো-সাইডের বৈদ্যুতিক ব্যবস্থাকে সুইচিং,কন্ট্রোলিং এবং রক্ষা করার প্রক্রিয়াকে LT সুইচগিয়ার বলে।

উওরঃ HT সুইচগিয়ারঃ
সাবস্টেশনের হাই-সাইডের বৈদ্যুতিক ব্যবস্থাকে সুইচিং,কন্ট্রোলিং এবং রক্ষা করার প্রক্রিয়াকে HT সুইচগিয়ার বলে।

প্রশ্নঃ কি ধরনের সার্কিট ব্রেকার LT & HT ব্যবহার করা হয়?
উওরঃ
LT সুইচগিয়ারঃ

MCB, MCCB, ACB সার্কিট ব্রেকার

HT সুইচগিয়ারঃ

VCB সার্কিট ব্রেকার

প্রশ্নঃ সার্কিট ব্রেকার কি?
উওরঃ সার্কিট ব্রেকার হচ্ছে এক ধরনের সুইচিং ডিভাইস, যা দ্বারা বৈদ্যুতিক সার্কিটকে সাপ্লাই এর সাথে সংযুক্ত ও বিচ্ছিন্ন করা যায়। তবে সার্কিট ব্রেকারের সবচেয়ে বড় কাজ হল,যখন অতিরিক্ত কারেন্ট বা ত্রুটিপুর্ন কারেন্ট লাইনে প্রবাহিত হয়,তা থেকে সার্কিটকে অটোমেটিক রক্ষা করা।

প্রশ্নঃ কি ধরনের সার্কিট ব্রেকার সাবস্টেশনে ব্যবহার করা হয়?
উওরঃ MCB, MCCB, ACB সার্কিট ব্রেকার, VCB সার্কিট ব্রেকার।

প্রশ্নঃ LT & HT সাইডের মেইন কাজ কি?

উওরঃ
HT সুইচগিয়ার মূলত ট্রান্সফরমার কে সাট-ডাউন করানো

LT সুইচগিয়ার মূলত লোড কে কন্ট্রোল করে অথবা রক্ষা করে।

প্রশ্নঃ PFI কি?
পাওয়ার ফ্যাক্টর ইম্প্রোভমেন্ট যা পাওয়ার ফ্যাক্টর ইম্প্রোভমেন্ট করে।

প্রশ্নঃ কেন PFI ব্যবহার করা হয়?
উওরঃ কারন আমাদের ট্রান্সমিশন লাইনে ভোল্টেজ এবং কারেন্ট এর কারনে একটি এঙ্গেল সৃস্টি হয় যা লস হিসাবে ধরা হয়।এই লস কে কমানোর জন্য পাওয়ার ফ্যাক্টর ইম্প্রোভমেন্ট ব্যবহার করা হয়।

প্রশ্নঃ PFI রেটিং কিভাবে নিতে হয়?
উওরঃ ট্রান্সফরমারের রেটিং এর ৬০% হিসাবে নিতে হয়।

প্রশ্নঃ PFI স্টেপ কি এবং কিভাবে স্টপ সিলেকশন করতে হয়?
উওরঃ
ট্রান্সফরমারের রেটিং যদি ১০০কেভি থেকে ২৫০কেভি পর্যন্ত তাহলে ৬ স্টেপের ১টা ট্রান্সফরমারের রেটিং যদি ৩১৫কেভি থেকে ২০০০কেভি পর্যন্ত তাহলে ১২ স্টেপের ১টা ট্রান্সফরমারের রেটিং যদি ২৫০০কেভি থেকে ৪০০০কেভি পর্যন্ত তাহলে ১২ স্টেপের ২টা

প্রশ্নঃ সাবস্টেশনে কিভাবে লোড বের করতে হয়?
উওরঃ ট্রান্সফরমারের রেটিং এর ৮০% হিসাবে নিতে হয়।

প্রশ্নঃ সাবস্টেশনে LT & HT সাইড কোন অংশ কে বলে?

উওরঃ ৩৩কেভি থেকে ১১কেভি পর্যন্ত ট্রান্সমিশন লাইন কে বলা হয় HT সাইড এবং ১১ কেভি থেকে ০.৪কেভি (৪০০ভোল্ট) পর্যন্ত ট্রান্সমিশন লাইন কে বলা হয় LT সাইড।

প্রশ্নঃ জেনারেশন পাওয়ার এবং ডিস্ট্রিবিউশন পাওয়ারের রেটিং দেখাও?
উওরঃ জেনারেশন পাওয়ারঃ ১১কেভি,৩৩কেভি,১৩২কেভি,২৩০কেভি,৪০০কেভি

ডিস্ট্রিবিউশন পাওয়ারঃ ৪০০কেভি,২৩০কেভি,১৩২কেভি,৩৩কেভি,১১কেভি।

প্রশ্নঃ কেন ডিস্ট্রিবিউশন লাইনে ৪০০০কেভির বেশি ট্রান্সফরমার ব্যবহার করা হয় না?
উওরঃ কারন ৪০০০কেভি উপরের ট্রান্সফরমারের জন্য সার্কিট ব্রেকার নেই তাই ব্যবহার করা হয় না।
সাবস্টেশন রিলেটেড জব ভাইবা তে কি কি প্রশ্ন আসতে পারে তার উওর সহ কিছু আইডিয়া দেয়া হল যা উপরে আলোচনা করা হয়েছে,আশা করি তা আপনারা বুঝতে পেরেছেন ,আমি চেষ্টা করেছি, সাবস্টেশন রিলেটেড জব ভাইবা তে কি কি প্রশ্ন আসতে পারে তার কিছু আইডিয়া দেয়ার। ভুল হলে কমেন্ট করে জানাবেন। কারন আমি নিজে এখন ও শিখি ভুল গুলো ধরে দিলে আমার জন্য খুব ভাল হবে। এবং বেশি খারাপ লাগলে ক্ষমার চোখে দেখবেন।

Wednesday, December 11, 2019

রানিং ক্যাপাসিটর এবং সৃটার্টিং ক্যাপাসিটর বুঝার উপায়

রানিং ক্যাপাসিটর আর স্টার্টিং ক্যাপাসিটর দেখতে প্রায় একই রকমের হয়ে থাকে! তবে স্টার্টিং ক্যাপাসিটরের ভ্যলূ বা মান লেখার ধরন আর রানিং ক্যাপাসিটরের ভ্যলূ বা মান লেখার ধরন দেখে কোনটা কোন্ প্রকারের ক্যাপাসিটর তা ভ্যলূ লেখার ধরন দেখে সহজেই বুঝা যায়।

উদাহরণ হিসেবে যেমন:-
রানিং ক্যাপাসিটরের ভ্যলূ লেখা থাকে 8 µF, 10 µF বা 16 µF এভাবে। আর স্টার্টিং ক্যাপাসিটর ভ্যলূ লেখা থাকে 40-70 µF বা 80-120 µF এরকম ভাবে। তবে সব সময় স্টার্টিং ক্যাপাসিটরের ভ্যলূ এরকম ভাবেও লেখা থাকেনা! সে ক্ষেত্রে ক্যাপাসিটরটি একটি 100-200 ওয়াটের লাইট বাল্বের সাথে সিরিজ সার্কিটে কানেকশন করে 220V সাপ্লাই দিয়ে নিশ্চিত ভাবেই বুঝা যাবে যে, ক্যাপাসিটরটি স্টার্টিং না রানিং ?

যদি ক্যাপাসিটরটি রানিং ক্যাপাসিটর হয়, তাহলে সিরিজে লাইট বাল্বটি কম আলো বা ডীম লাইটের মতো আলো করে জ্বলবে! এবং একই সাথে কাপাসিটরটি চার্জ হবে! তারপর কাপাসিটরের টার্মিনাল দুটি স্ক্রু ড্রাইভার দিয়ে শর্ট সার্কিট করলে বিকট্ শব্দকরে কাপাসিটরটি ডিসচার্জ হবে।
আর যদি ক্যাপাসিটরটি স্টার্টিং ক্যাপাসিটর হয়, তাহলে সিরিজ লাইট বাল্বটি বেশি আলো বা পূর্ণ আলো করে জ্বলবে! এবং ক্যাপাসিটরটি চার্জ হবেনা সে ক্ষেত্রে বুঝতে হবে এটি স্টার্টিং ক্যাপাসিটর।

ক্যাপাসিটরের একক ইউনিট হলো Farad এবং (F) দ্বারা ক্যাপাসিটরের ইউনিট প্রকাশ করা হয়।
যেমন:-
1 F = 1000mF (mili Farad)
1mF=1000µF (micro Farad)
1 µF= 1000nF(nano Farad)
1 nF =1000pF(pico Farad)

অনেকে এই “µ” চিহ্ন টাকে ইউ “u” ভেবে ভুল করে! আসলে এটা হলো একটি গ্রিক লেটার বা চিহ্ন এবং এই চিহ্নটির উচ্চারন বা নাম হলো “মিউ”। সাধারনত Farad ভ্যলূর Capacitor আমাদের তেমন খুব একটা দরকার পড়েনা! আমাদের সাধারনত যে সব ভ্যলূর ক্যাপাসিটর প্রয়োজন হয় তা সাধারনত µF ভ্যলূর ক্যাপাসিটর দিয়েই কাজ চলে যায়।

µF= “মাইক্রো ফ্যারাড”এইটা হলো সিম্বলিক বা প্রতিকী অর্থে আর MFD= হলো মাইক্রো ফ্যারাডের শর্টফর্ম।এই দুটো ফর্মের অর্থই একই। মুলত দুটো দিয়েই “মাইক্রো ফ্যারাড” বুঝায়। আশাকরি সবার কাছে এখন বিষয়টি পরিস্কার হয়েছে।