Wednesday, January 29, 2020

নেসকো_এক্সাম_ফ্যাক্ট

#নেসকো_এক্সাম_ফ্যাক্ট......

1. পাওয়ার ফ্যাক্টর কি?
2. পাওয়ার ফ্যাক্টর বেশী হলে ভাল না কম হলে ভাল?
3. পাওয়ার ফ্যাক্টর ইমপ্রুভমেন্টে কেন করি?
4. ভোল্টেজ এবং কারেন্টের মধ্যে পার্থক্য কি?
5. পিএলসি কি? কেন পিএলসি ব্যাবহার করি?
6. সার্ভো ড্রাইভ মোটর কি?
7. সার্কিট ব্রেকারে আগুন লাগলে কিভাবে নিভাবেন?
8. একটি কক্ষে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লাগলে আপনি প্রথমে কি করবেন?
9. সাধারণত পিটির সেকেন্ডারি ভোল্টেজ কত হয়?
10. একটি সিটির রেশিও বলুন।
11. আমরা সিটি/পিটি কেন ব্যবহার করি?
12. রিলে কি? কেন ব্যবহার করি? একটি ব্যবহার খেত্র বলেন।
13. বাংলাদেশে সর্বোচ্চ জেনারেশন ভোল্টেজ কত?
14. বাংলাদেশে পাওয়ার সিস্টেমে কোথায় কত ভোল্টেজ?
15. পিজিসিবি, ইজিসিবি, ডিপিডিসি এর কাজ কি?
16. ইন্ডাকশন মোটরে স্টার/ডেল্টা চালু পদ্ধতি কেন ব্যবহার করা হয়?
17. কোন সিম্বল ছাড়া একটি অ্যামমিটার, একটি ভোল্টমিটার দেয়া হল কোনটি অ্যামমিটার/
ভোল্টমিটার বাহির করতে পারবেন? কিভাবে?
18. আর্থিং ও নিউট্রাল কি?
19. কতগুলি রেজিস্টর হাতে ধরিয়ে দিয়ে বলতে পারে মাল্টিমিটার ছাড়া এগুলির মান বের করে দেখান। কি পারবেন না?
20. মাইক্রোকন্ট্রোলার ও মাইক্রোপ্রসেসর এর মধ্যে পার্থক্য কি?
21. AVR কি? এটি কিভাবে কাজ করে সংক্ষেপে বলেন?
22. ৪ টি ১২ ভোল্ট এর ব্যাটারি দিয়ে ২৪ ভোল্ট করতে চাইলে, ডায়াগ্রাম একে দেখান।
23. ফুল চার্জে ব্যাটারির ইলেক্ট্রোলাইট এর স্পেসিফিক গ্রাভিটি কত থাকে?
24. ১ হর্স পাওয়ার সমান কত ওয়াট?
25. সিঙ্গেল ফেজ ভোল্টেজ ২৩০ ভোল্ট হলে কেন লাইন ভোল্টেজ ৪০০ ভোল্ট হয়?
26. ট্রান্সমিশন লাইনে স্যাগের কি প্রভাব?
27. কখন একটি সার্কিটে ইম্পিড্যান্স রেজিস্ট্যান্সের সমান হবে?
28. পোলারিটি আর নন পোলারিটি ক্যাপাসিটরের মধ্যে পার্থক্য কি?
29. একটি ৩-ফেজ মোটরকে রিভার্স ঘুরাবেন কিভাবে?
30. বুখলজ রিলে কেন ব্যবহার করা হয়?
31. ডিফারেন্সিয়াল প্রটেকশন কেন ব্যবহার করা হয়? কোথায় ব্যবহার করা হয়?
32. ট্রান্সফরমার শর্ট সার্কিট প্রটেকশনের জন্য কি পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়?
33. কেন নিউট্রাল লাইনে শক লাগেনা?
34. তিন ফেজ মোটর স্টার্ট দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে স্টার্ট নেয় না গোঁ গোঁ শব্দ করে, সম্ভাব্য তিনটি কারন বলেন।
35. IEEE কি?
36. সেন্সর ও ট্রান্সডিউসারের মধ্যে পার্থক্য কি?
37. CFL এর পূর্ন নাম কি?
38. AWG/SWG কি?
39. সিঙ্গেল ফেজ মেটর বা ফ্যান চালু করতে ক্যাপাসিটর ব্যবহার করা হয় কেন?
40. ট্রান্সফরমার এর তেলের নাম কী?
41. একটি ডেল্টা -স্টার সংযুক্ত ট্রান্সফরমারের সেকেন্ডারিতে পাওয়ার, প্রাইমারি থেকে কত গুন কম বা বেশি হবে?
42. ফেজ সিকুয়েন্স কি?
43. ইনভার্টার দ্বারা কি করা হয়?!Magnetic contactor কি

H&M বায়ার এর কাজ পেতে হলে যেসব প্রশ্নের উত্তর জানা দরকার

H&M  বায়ার এর কাজ পেতে হলে যেসব প্রশ্নের উত্তর জানা দরকার

এইচ এন্ড এম বায়ার এর কাজ পেতে হলে যেসব প্রশ্নের উত্তর জানা দরকার  যেকোনো মালামাল স্টোর করার জন্য সঠিক নিয়মাবলী মেনে চলা হয় কি? (ঠিক মত বাতাস চলাচলের ব্যাবস্থা, প্যা্লেট এর ব্যা্বহার, দেয়াল থেকে দূরে, সঠিক উচ্চতা) । বাচ্চাদের পোশাক তৈরি ফ্যাক্টরিতে বাঁটন, এক্সেসরিস চেক করার জন্য স্যেফ-কিউ (SafQ) মেশিন আছে কি?


১. কোয়ালিটি টিম কি উৎপাদন বিভাগ থেকে স্বাধীনভাবে কাজ করে এবং সকল রিপোর্ট টপ ম্যানেজমেন্টকে অবহিত করে ?

২. এইচ এন্ড এম (H&M) স্যাম্পল রেস্পন্সিবল স্যাম্পল বানানোর পরে স্যাম্পল রিপোর্ট সহ (যদি কোন জায়গা বুঝতে অসুবিধা হয় সেটা সহ)  H&M অফিসে পাঠায় কি?

৩. ডুপ্লিকেট কাউন্টার স্যাম্পল গুলো কি প্রোডাকশন লাইনে কমেন্টস ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য সহ ঝুলান থাকে? 

৪. সকল প্রকার কালার / শেড এবং শেড ফ্যামিলি কান্ট্রি অনুযায়ী ও ডাই লট অনুযায়ী কালার কন্টিনিউটি কন্ট্রোল করা হয় কিনা?

৫. ওয়াস গার্মেন্টস / ফিউজিং পণ্য এর ক্ষেত্রে সকল স্রিংকেজ টেস্ট কাটিং এর প্রয়জনে, প্রত্যেক কালার লট অনুযায়ী করা হয় কিনা এবং রেকর্ড রাখা হয় কি?  

৬. ওয়াস গার্মেন্টস / ফিউজিং পণ্য এর ক্ষেত্রে সকল স্রিংকেজ কাটিং এর প্রয়জন অনুযায়ী প্যাটার্ন সমন্নয় (Adjust) করা হয় কি?

৭. সাপ্লায়ার এইচ এন্ড এম (H&M) বায়ার এর নির্দেশ অনুযায়ী নিকেল টেস্ট করে কিনা ?

৮. প্রোডাকশন শুরুর আগে এবং চলাকালীন সময়ে সাপ্লায়ার প্রতি স্টাইলের জন্য পি পি (PP) মিটিং করে কিনা? 

৯. RQS এর নিয়ম অনুযায়ী সাপ্লায়ার এর প্রসেস কন্ট্রোল সিস্টেম আছে কিনা ?

১০. গার্মেন্টস প্যাকিং এর সময় শুকনা এবং পরিস্কার থাকে কি ?

১১. ফ্যাক্টরি গুদামঘর (Warehouse) শুকনা এবং পর্যাপ্ত বাতাস চলাচলের সুব্যাবস্থা আছে কি?

১২. পোকামাকড় প্রতিরোধ এর জন্য ফিনিসিং সেকশনে, প্যাকিং, মেটাল ফ্রি জোন এ মশারি (NET) আছে কি?

১৩. উৎপাদন চলাকালীন অবস্থায় গার্মেন্টস ফ্লোর থেকে উচু জায়গায় রাখা হয় কি?

১৪. সকল প্রকার খাবার এবং খাবার সামগ্রী নির্ধারিত স্থানে রাখা হয় কি এবং ওয়াশ রুম, রান্না ঘর ও ডাইনিং রুম শুকনা এবং পরিস্কার থাকে কিনা?  


১৫. সাপ্লায়ার ব্র্যান্ড অনুযায়ী AQL / স্যাম্পল প্ল্যান ফলো করে কিনা ? এবং ফিনিসিং থেকে রেন্ডম অর্ডারে বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন সাইজ ও কালারের গার্মেন্টস চেক করে রেকর্ড রাখা হয় কি?

১৬. প্রোডাকশন চলাকালীন সময়ে বাঁটন, রিবেট, আইলেট এবং অন্যান্য এক্সেসরিস ৪ ঘণ্টা পরপর ৯০ নিউটন এ চেক করা হয় কি?

১৭. সকল টেস্ট করা গার্মেন্টস এর উপর তারিখ, সময়, সাক্ষর, মেশিন নং লিখে আলাদা করে বক্সে রাখা হয় কি? (প্রতি ৬ মাস পরপর বক্সে রাখা গার্মেন্টস নস্ট করে ফেলে দিতে হবে)

১৮. এইচ এন্ড এম (H&M) বায়ার এর ব্রোকেন নিডেল এবং অন্যান্য ধারাল বস্তুর নিয়ম কানুন মেনে চলা হয় কি?

১৯. সকল প্রকার সুইং বাঁটন কি লকস্টিচ মেশিন দিয়ে লাগানো হয়?

২০.  নিডেল ডিটেকশন এবং ধারালো বস্তুর ব্যাবহার নিয়ম অনুযায়ী করা হয় কি?

২১. প্রতিদিন নিডেল ডিটেকশন মেশিন টি তিনবার ৯ পয়েন্ট সিস্টেমে ক্যালিব্রেশন করা হয় কি?

২২. নিডেল ডিটেকশন করার পর গার্মেন্টস গুলো কি মেটাল ফ্রি জনে প্যাকিং এরিয়াতে আলাদা করে রাখা হয়?

২৩. রিজেক্ট গার্মেন্টস কি লক করা বক্সে রাখা হয়?

২৪. সকল ফিনিসিং করা গার্মেন্টস গুলো কি কান্ট্রি অনুযায়ী আলাদা করে প্যা্লেট এর উপরে এবং দেয়াল থেকে দূরে রাখা হয় এবং সঠিক ভাবে বাতাস চলাচলের ব্যাবস্থা নিস্তিত করা হয় কি?

২৫. সকল ধরনের কালার কি সম্পূর্ণ অন্ধকার অবস্থায় লাইট বক্সে চেক করা হয় ?

২৬. একসঙ্গে কি দুই জন ব্যাক্তি তিন ধরনের লাইট এ চেক করে এবং উৎপাদনের ১ম থেকে শেষ পর্যন্ত একই পদ্ধতি অবলম্বন করা হয় কি ?

২৭. এইচ এন্ড এম এর কালার গাইড অনুযায়ী লাইট বক্সে সকল লাইট (TL-83, D-65, A-Light, UV) আছে কি ?

২৮. লাইট বক্সে এর মধ্যে টিউব লাইট কি জোড়ায় আছে ? A – লাইট এর জন্য ৪০ WATT এর ৪ টি বাল্ব আছে কিনা এবং উজ্জলতা ১৫০০ লাক্স কি না? (TL-83, D-65 – ১০০০-১৩০০ LUX থাকতে হবে)

২৯. ফেব্রিক গাইড লাইন অনুযায়ী ৪ পয়েন্ট সিস্টেম অথবা এর সমসাময়িক নিয়ম অনুযায়ী ফেব্রিক ইন্সপেকশন করা হয়? (২ জন সর্বোচ্চ ২ ঘণ্টা একটানা চেক করতে পারবে এবং রেকর্ড রাখতে পারবে)

৩০. সাপ্লায়ার কি তার অধিকাংশ ফেব্রিকের ১০% ভিজুয়ালি ইন্সপেকশন করে এবং প্রত্যেক ডাই লট থেকে প্রতি কালারের কমপক্ষে ১০০০ মিটার ফেব্রিক কি চেক করা হয় ?

৩১. অন্যান্য সকল ধরনের ম্যাটিরিয়াল ইন্সপেকশন এর জন্য সাপ্লায়ার কি কোন ইন্সপেকশন পদ্ধতি অবলম্বন করে  এবং রেকর্ড রাখে?

Friday, January 17, 2020

ডায়োড

#প্রশ্নঃ ডায়োড
উত্তরঃ বর্তমান টেকনোলজিতে বহুল ব্যবহৃত কিছু ইলেকট্রনিক ডিভাইসের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ “ডাই” এবং “ইলেকট্রোড” এর সংক্ষিপ্ত রূপ হচ্ছে ডায়োড। আমরা সাধারনত ডায়োড বলতে বুঝি দুই ইলেকট্রোড বিশিষ্ট ইলেকট্রনিক্স ডিভাইসকে। সেমিকন্ডাক্টর হল একটি সাধারণ পি-এন জংশন আর জংশন হল একটি পি-টাইপ সেমিকন্ডাক্টর এর সাথে একটি এন-টাইপ সংযোগের ফলে সৃষ্টি হয় কার্যপ্রনালী।

#ডায়োড কি কাকে বলে?
ডায়োডের দুটি দিকে দুটি কানেক্টিং টার্মিনাল বা লিড থাকে এদের একটি অ্যানোড   অপরদিকে ক্যাথোড বলা হয়। যখন কোন সার্কিটের একটি অ্যানোড পজেটিভ এবং ক্যাথোড নেগেটিভ এর সাথে যুক্ত করা হয় তখন তাকে ফরওয়ার্ড বায়াস ডায়োড বলে। আর সার্কিটের কানেকশন সংযোগ উল্টো ভাবে করলে রিভার্স বায়াস ডায়োড বলা হয়। সাধারণত ডায়োডের গায়ে লেখা থাকে তার কোনটি অ্যানেড এবং কোনটি ক্যাথোড। তবে কিছু কিছু ডয়োডের অ্যানোডের এর দিকে পজেটিভ চিহ্ন এবং ক্যাথোড এরদিকে নেগেটিভ চিহ্ন দেওয়া থাকে এই গুলো দেখেই সাধারণত ডায়োড চিনতে হয়।

রেকটিফায়ার কি রেক্টিফিকেশন কি?
ডায়োড প্রধানত ব্যবহার করা হয় এসি কারেন্ট ভোল্টেজ কে ডিসিতে কারেন্টে রূপান্তরিত করার জন্য। আর এসি কারেন্টকে ডিসি কারেন্ট করার প্রক্রিয়াকে বলা হয় একমুখীকরণ বা রেক্টিফিকেশন। এবং এই ধরনের ডায়োড কে বলা হয় রেকটিফায়ার ডায়োড। রেকটিফায়ার একটি ডিভাইস সার্কিট কিন্তু রেক্টিফিকেশন হল উক্ত ডিভাইস বা সার্কিটের কাজ করার পদ্ধতি অধিকাংশ ইলেকট্রনিক্স কাজে ডিসি কারেন্ট সাপ্লাই এর প্রয়োজন হয়। এই কাজে ব্যাটারী ব্যবহার করলে অনেক বেশি খরচ হয়ে থাকে তাই বাণিজ্যিক ভিত্তিতে বিভিন্ন রেকটিফায়ার এর প্রয়োজন হয়। এজন্য ইলেকট্রনিক্সের পাওয়ার সাপ্লাইয়ে রেকটিফায়ার ডায়োড ব্যবহার করা হয় এই রেকটিফায়ার ব্যবহার করে রেগুলেটেড পাওয়ার সাপ্লাই সম্ভব তৈরী করা হয়।

#প্রশ্নঃ ডায়োড কত প্রকার কি কি?
ডায়োড বিভিন্ন প্রকারের হয়ে থাকে তার মধ্যে ইলেকট্রনিক্স সার্কিটে যে সকল ডায়োডের ব্যবহার সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করা হয় সেগুলো হলো :

জেনার ডায়োড ( Zenar Diode)
লাইট ইমিটিং ডায়োড (সংক্ষেপে এলইডি)
সেভেন সেগমেন্ট ডায়োড (এলইডি ডিসপ্লে)
ফটো ডায়োড (আলোর প্রতিফলনে কাজ করে)
টানেল ডায়োড (Tunnel Diode)
ভ্যারাক্টর ডায়োড (Varactor Diode)
স্কটকি ডায়োড (Schottky Diode)
ভ্যারিষ্টার ডায়োড (Barrister Diode)
আশা করছি আজ আমরা ডায়োড সম্পর্কে একটা প্রাথমিক ধারণা পেয়েছি।

Tuesday, January 14, 2020

থ্রি ফেইজে লাল,হলুদ,নীল কেন নিতে হল?

আমরা সবাই জানি, থ্রি ফেইজে তিনটা ভিন্ন বর্ণের তার থাকে। সেগুলো হল লাল, হলুদ, নীল। কিন্তু কেন ভিন্ন রং এবং এতগুলো রং থাকতে এই তিনটাই কেন নিতে হল? চলুন জানার চেষ্টা করব।

প্রথমত, ভিন্ন ভিন্ন রং ব্যবহার করার কারণ হচ্ছে যেন ফেইজ গুলোকে আলাদা ভাবে চিনা যায়। এখন, প্রশ্ন হল সবগুলোই ত ফেইজ, আলাদাভাবে চিনার দরকার কি? 
অবশ্যই আছে। কোন কারণে আপনি ফেইজ সিকুয়েন্স চেইঞ্জ করতে চাচ্ছেন তাইলে আপনি সেটা ভিন্ন রং এর তার হলে সহজেই পারবেন। একই রং এর তার হলে ফেইজ চেইঞ্জ করতে গেলে কনফিউশন এ পড়তে হবে। করলেও সন্দেহ থাকবে। আদো চেঞ্জ করা হয়েছে কিনা? যেমন দুই জমজ ভাই / বোন থাকলে তাদের পৃথক করাটা কষ্টকর হয়ে যায়।

এবার আসি, লাল, হলুদ, নীল কেন? 
ছোটবেলায় আমরা সবাই আর্ট শিখতে গিয়ে কিংবা পদার্থবিজ্ঞান এ পড়েছি এগুলোকে মৌলিক রং বলে। তাই অন্যান্য রং এর মধ্যে তাদের প্রাধান্য বেশি।

দ্বিতীয়ত, মানবমস্তিষ্ক এই তিনটি রং এর উপর বেশ sensitive. আমাদের অপটিক স্নায়ু খুব সহজেই এই তিনটি কালার সেন্স করতে পারে।

সবশেষে, এই তিনটি বর্ণের তরঙ্গদৈর্ঘ্য প্রায় কাছাকাছি। তাই বিক্ষেপণ হয় সমানভাবে। তাই সহজেই চোখে ধরা পড়ে। 
লাল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য = 700 nm
নীল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য = 400 nm
হলুদ আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য = 550 nm
আর লক্ষ্য করলে দেখবেন, হলুদ আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য লাল & নীল এর এভারেইজ মান। তাই, RYB কানেকশন এই আলোক বিক্ষেপণ খুব ভাল হবে। বর্ণ খুব সহজে চোখে পড়বে।

Saturday, December 28, 2019

ভাইভা-সংক্রান্ত দরকারি টিপস।

#ভাইভা-সংক্রান্ত দরকারি টিপস।

(অন্যান্য সরকারী চাকরীর ভাইভার জন্যও প্রয়োজ্য)

দৈনিক কালের কন্ঠ
০৭ আগষ্ট, ২০১৯

ভাইভা বোর্ডে..

১. ভাইভা বোর্ডে ঢোকার আগে এক গ্লাস পানি খেয়ে জোরে নিঃশ্বাস নেবেন, এতে নার্ভাসনেস অনেকটাই কেটে যাবে।

২. অনুমতি নিয়ে প্রবেশ করবেন, নিকটতম দূরত্বে গিয়ে সালাম বা আদাব দেবেন।

৩. বসতে না বললে বসবেন না। অনেকক্ষণ হয়ে গেলে বা না বসতে বলেই ভাইভা শুরু করলে ‘আমি কি বসতে পারি স্যার’ বলে অনুমতি নিয়ে নেবেন, এরপর অবশ্যই ধন্যবাদ জ্ঞাপন করবেন।

৪. চেয়ারে হাতল থাকলে (সাধারণত থাকে না) হাতলে হাত রাখবেন না, পা নাচানো বা হাতের মুদ্রাদোষ থাকলেও নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করবেন। সবচেয়ে ভালো হয় দুই হাতের আঙুলগুলো ক্রস করে, ঊরুর ওপর হাত রাখা।

৫. বাংলায় প্রশ্ন করলে ইংরেজিতে উত্তর দেওয়া আপনার অতিরিক্ত পরিপক্বতা, আবার ইংরেজিতে প্রশ্ন করলে বাংলায় উত্তর দেওয়া আপনার অদক্ষতা। তাই যে মিডিয়ামে প্রশ্ন করা হবে, সে মিডিয়ামেই উত্তর দিন।

৬. ভাইভা বোর্ডে আরগুমেন্ট করবেন না। ভাইভা বোর্ড ‘সর্বজান্তা’ চায় না, চায় ‘বিনয়ী মার্জিত’ অফিসার। কোনো প্রশ্নের উত্তর ‘আপনারটা সঠিক, বোর্ডেরটা ভুল’ হলেও প্রমাণ করতে যাবেন না। বিনীতভাবে বলবেন, ‘আমি এমনটাই জানি, স্যার। তবে আমার জানায় ভুল হতে পারে।’

৭. ভাইভা বোর্ডে একজনের উত্তর দেওয়ার সময় বোর্ডের অন্য কেউ প্রশ্ন করলে ‘আমি কি স্যারের উত্তর শেষ করে আপনার উত্তর দিতে পারি?’ বলে অনুমতি নিয়ে নেবেন।

৮. ভাইভা বোর্ডে রাজনৈতিক বা অন্য মতাদর্শকেন্দ্রিক প্রশ্ন হলে টেকনিক্যালি উত্তর দেবেন, যেন উত্তরটা এমনভাবে ধোঁয়াশা থাকে, যেন এটির মিনিং যেকোনো মতাদর্শকেন্দ্রিক হয়। বোর্ডকে খুশি করতে নিজেকে সরকারদলীয় বোঝাতে গেলে হিতে বিপরীতও হতে পারে।

৯. ভাইভায় আই কন্টাক্ট একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বোর্ড মেম্বার প্রশ্ন করার সময় মনোযোগী শ্রোতার মতো শোনার চেষ্টা করুন। উত্তর দেওয়ার সময়ও আই কন্টাক্ট লক্ষ করবেন। গম্ভীর না থেকে হাসিমুখে থাকুন।

১০. ভাইভা বোর্ডের নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে রাখবেন। যেমন—প্রবেশের সময় ‘মে আই কাম ইন প্লিজ’ বললে বোর্ড ইংরেজি মিডিয়ামে প্রশ্ন করতে উত্সাহিত হয়। তাই বাংলা মিডিয়ামে ভাইভা দেওয়ার ইচ্ছা থাকলে ‘ভেতরে আসতে পারি স্যার’ বলে ভাইভা মিডিয়াম নিজের নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেন (সাধারণ অর্থে, এর ব্যতিক্রমও হতে পারে)। প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার সময় তীক্ষ�ভাবে উত্তরের শব্দগুলো নির্বাচন করবেন। কারণ এর উত্তর থেকেই পরের প্রশ্ন হতে পারে। সিটি ব্যাংকের ম্যানেজমেন্ট ট্রেইনি ভাইভায় আমাকে বলেছিল, Say about Sundarbans। আমি ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট বলায়ই পরের প্রশ্ন ছিল, ‘ডিফাইন ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট’। আপনি যে টপিকগুলো ভালো পারেন বোর্ডকে টেকনিক্যালি সেদিকে ধাবিত করতে উত্তরে প্রাসঙ্গিক হলে আপনার জানা টপিকের ওয়ার্ডগুলো ঢুকিয়ে দিন। ওই ওয়ার্ডকে ধরেই পরের প্রশ্ন হতে পারে।

১১. চলে আসার সময় অবশ্যই ধন্যবাদ দিয়ে আসবেন। চেয়ার থেকে উঠে দুই-তিন স্টেপ পিছিয়ে টার্ন নেবেন। পৃষ্ঠ প্রদর্শন করবেন না। বের হওয়ার সময় দরজা ঠাস করে বন্ধ করবেন না, ওই সময়েই কিন্তু আপনার মার্ক লেখা হচ্ছে।

১২. আপনি প্রিলি রিটেন উত্তীর্ণ হয়েই ভাইভা বোর্ডে এসেছেন, তাই নতুন করে আপনার মেধা যাচাইয়ের আবশ্যকতা নেই বোর্ডের কাছে। আপনার ভেতর অফিসারসুলভ আচরণ আছে কি না, আপনাকে ঘষেমেজে অফিসার বানানো যাবে কি না, এটাই ভাইভা বোর্ড লক্ষ করবে। সব প্রশ্নের উত্তর আপনার জানা থাকার কথা নয়, আপনি একটা প্রশ্নের উত্তর না পারলে, এটা যে পারেন না, এ কথাটা যত সুন্দরভাবে গুছিয়ে বলতে পারেন, এটাই আপনার দক্ষতা।

১৩. ওপরের কোনো কৌশলের কোনো কিছুই হয়তো ভাইভা বোর্ডের মনে থাকবে না। এটা নিয়ে চিন্তার কিছু নেই। ভাইভা বোর্ডে জাস্ট উপস্থিত বুদ্ধি কাজে লাগানোর চেষ্টা করুন। ভাইভা বোর্ডে একেবারে নার্ভাস হবেন না। নার্ভাস হলেই যে পাস করবেন, নার্ভাস না থেকে খোশ মেজাজে থাকলে আপনার জব হবে না, এমনটা তো নয়। সব প্রশ্নের উত্তর পারলেই ক্যাডার হবেন, না পারলে হবেন না, এটিও নয়।

ড্রেস কোড..

আপনাকে যে ড্রেস পরলে ফরমাল বা মার্জিত লাগে সেটাই পরবেন।

♦ ছেলেদের জন্য..

১. ছেলেরা যেকোনো ফুলহাতা শার্ট পরতে পারেন হালকা রঙের, তবে সাদা হলে ভালো হয়। শার্টের নিচে ঘাম প্রতিরোধ ও গায়ের শেইপ যেন না দেখা যায় সে জন্য হাফ বা ফুলহাতা গেঞ্জি পরে নিতে পারেন।

২. প্যান্ট গাঢ় যেকোনো রং হতে পারে, তবে কালো রং ভালো হবে। বেল্ট কালো নরমাল হতে হবে, লেদার হলে ভালো, বেল্টে বকলেস না হয়ে আগের সময়ের ওল্ড স্টাইলের কাটা থাকলে ভালো।

৩. মোজা অবশ্যই কালো এবং লং হতে হবে, ভুলেও প্রাইভেট জব স্টাইলের শর্ট শকস পরবেন না। ভালো ব্র্যান্ডের হলে দুর্গন্ধ হওয়ার কোনো ঝামেলা পোহাতে হবে না। মোজা ব্যবহারের আগে তাতে কিছু ট্যালকম পাউডার দিয়ে নেবেন ঘাম ও দুর্গন্ধ প্রতিরোধের জন্য।

৪. কালো রঙের শু পরবেন, বাটার ফিতা শু, যেটা পিএটিসিতে ট্রেনিংয়ের সময় দেওয়া হয় (অক্সফোর্ড শু), সেটা হলে ভালো হয়। শুর সোল রাবারের হওয়া বাঞ্ছনীয়, তাহলে ঠক ঠক শব্দ হবে না।

৫. টাই পরার বাধ্যবাধকতা নেই। পরলে সাদা শার্টের সঙ্গে মেরুন অথবা নেভি ব্লু টাই পরবেন। সরকারি অফিশিয়াল রুলস অনুযায়ী অক্টোবর থেকে মার্চ শীতকালীন ধরে স্যুট ব্যবহার করতে বলা হয়, অন্য সময় বাদ। তবে যাঁদের স্যুট পরলে একটা গর্জিয়াস লুক আসে, তাঁরা অন্য সময়ও স্যুট পরতে পারেন।

৬. ভাইভায় মার্জিত দেখে হাতঘড়ি পরা উচিত। যেহেতু পিএসসিতে প্রবেশের সময় মোবাইল জমা রাখা হয়, হাতঘড়ি আপনার সময় সম্পর্কে ধারণা দেবে। সবচেয়ে বড় কথা হাতঘড়ি অফিসারসুলভ লুক এনে দেয় এবং এতে বোর্ড আপনাকে সময় সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে আপনাকে বিব্রত হতে হবে না।

৭. ভাইভা দেওয়ার দুই সপ্তাহ আগে চুল কাটাবেন, যেন ভাইভায় আসতে আসতে চুল মাঝারি শেইপে আসে। ভাইভার আগের রাতে শেইভ করবেন, ভুলেও ভাইভার দিন সকালে করবেন না, দেখতে বাজে লাগবে।

♦ মেয়েদের জন্য..

১. হালকা রঙের সুতি শাড়ি পরবেন, কলার ব্লাউজ এবং হাতা কোয়ার্টার বা লং হতে হবে।

২. হালকা প্রসাধন থাকতে পারে। অলংকার থাকলে একেবারে নরমাল।

৩. স্যান্ডেল অবশ্যই পাতলা স্লিপার হতে হবে। হাঁটার সময় যেন শব্দ না হয় সেটা খেয়াল রাখবেন অবশ্যই।

#collected

Thursday, December 26, 2019

Electeical Supervision Licences details

যারা বিদ্যুত বোর্ড থেকে A, B, C সার্টিফিকেট নিতে চান তাদের সুবিদার্থে পোষ্টটিঃ

মোট ৩ ধরনের সার্টিফিকেট/ লাইসেন্স দিয়ে থাকে ইলেকট্রিক্যাল লাইসেন্স বোর্ড।
১. টেকনিশিয়ানদের জন্য - ওয়ার্ক পারমিট সার্টিফিকেট
২. ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য- সুপারভাইজরি সার্টিফিকেট
৩. কোম্পানির জন্য- ঠিকাদারি লাইসেন্স

* বিদ্যুতের কাজের ঠিকাদারি করতে হলে কোম্পানিকে ঠিকাদারি লাইসেন্স নিতে হবে। আর ঠিকাদারি লাইসেন্স নিতে হলে সুপারভাইজরি সার্টিফিকেট থাকতে হবে।

* একজন টেকনিশিয়ান মানে নন ইঞ্জিনিয়ার কখনো সুপারভাইজরি সার্টিফিকেট নিতে পারবেনা।

* আর সুপারভাইজার হলে তার ওয়ার্ক পারমিট লাগবেনা।

এই তিন ক্যাটাগরিরই প্রতিটির আবার তিনটে করে গ্রেড/লেভেল আছে - A, B & C

A- উচ্চ ভোল্টেজ কাজের অনুমোদন।
B- মধ্যম ভোল্টেজ কাজের অনুমোদন।
C- নিম্ন ভোল্টেজ কাজের অনুমোদন।

নরমালি যারা পরীক্ষা নেয় তারা A দেয়ার লক্ষে প্রশ্ন শুরু করে (যারা A, B, C তিনটির জন্য একত্রে Apply করে)। কেননা, যে A পাওয়ার যোগ্যতা রাখে সে B & C পাওয়ারো যোগ্যতা রাখে। কখনো কখনো সব লেভেলেরই প্রশ্ন করে। তাই প্রস্তুতি সবগুলোর জন্যই নিয়ে রাখা ভাল।

তিনটি লেভেলের জন্য মানে A, B & C এর জন্য একত্রে আবেদন করাটাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে। তবে কারো যদি কনফিডেন্স কম থাকে তবে প্রথমে শুধু C অথবা B & C এর জন্য আবেদন করতে পারেন।

যেসব বিষয়ে প্রস্তুতি নিয়ে পরীক্ষার হলে যেতে হবেঃ
1. Basic Electricity
2. Control Diagram
3. Motor
4. Sub-station
5. Low & high voltage cable
6. Insulator name
7. SLD
8. Basic Instrument of Electrical Work
9. Etc

License Board Address
৫ম তলা, জোৎস্না কমপ্লেক্স, ২৪নং তোপখানা রোড, পুরানা পল্টন, ঢাকা

- মোঃ মাঈনুল ইসলাম
Sr. Manager & Head of Department (Electrical & Utility)
Dhaka Cotton Group(Spinning Division)

Friday, December 20, 2019

insulation resistance

একটি LT panel এর Red busbar থেকে Single phase MCB এর মাধ্যমে কিছু bulbs & fan এর জন্য 1.25 kw সংযুক্ত load এবং সরবরাহকৃত ভোল্টেজ 225V এ load চলতেছে।

Insulation Resistance কতো ?

Given,

1.25 kw = 1250 W
Voltage =  225 volts

এখন LT panel totally load current,

                             = 1250W ÷225V

                             = 5.55 A

গ্রহণযোগ্য Leakage current,

                             = 5.55A ÷ 5000

                             = 0.00111111111Ampere

Total Lowest Insulation Resistance,

                             = 225 ÷ 0.001111111 A

                             = 202500.00 ohm

                             = 2.02 Mohm.
ছবি প্রতিটি।

Sub station - 01

সাবস্টেশন রিলেটেড জব ভাইবা তে কি কি প্রশ্ন আসতে পারে তার কিছু আইডিয়া দেয়া হলো। 
#পার্ট-১

প্রশ্নঃ সাবস্টেশন কি?
উওরঃ সাবস্টেশন হচ্ছে পাওয়ার সিস্টেমের একটি অংশ যা বিদ্যুৎ উৎপাদন, পরিবহণ, সঞ্চালন, বিতরণ ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ।

প্রশ্নঃ ১১কেভি সাবস্টেশনের কি কি ইকুপমেন্ট থাকে?

Ø ট্রান্সফরমার

Ø LT সুইচগিয়ার

Ø HT সুইচগিয়ার

Ø PFI প্লান্ট

প্রশ্নঃ সুইচগিয়ার কি?
উওরঃ সুইচগিয়ার হচ্ছে বিভিন্ন যন্ত্রপাতি,যা বৈদ্যুতিক ব্যবস্থাকে সুইচিং,কন্ট্রোলিং এবং রক্ষা করে থাকে।( রিলে,সার্কিট ব্রেকার,ম্যাগনেটিক কন্টাক্টর ইত্যাদি)

প্রশ্নঃ সুইচগিয়ার কত প্রকার?

Ø LT সুইচগিয়ার

Ø HT সুইচগিয়ার

প্রশ্নঃ LT & HT সুইচগিয়ার বলতে কি বুঝ?
উওরঃ LT সুইচগিয়ারঃ
সাবস্টেশনের লো-সাইডের বৈদ্যুতিক ব্যবস্থাকে সুইচিং,কন্ট্রোলিং এবং রক্ষা করার প্রক্রিয়াকে LT সুইচগিয়ার বলে।

উওরঃ HT সুইচগিয়ারঃ
সাবস্টেশনের হাই-সাইডের বৈদ্যুতিক ব্যবস্থাকে সুইচিং,কন্ট্রোলিং এবং রক্ষা করার প্রক্রিয়াকে HT সুইচগিয়ার বলে।

প্রশ্নঃ কি ধরনের সার্কিট ব্রেকার LT & HT ব্যবহার করা হয়?
উওরঃ
LT সুইচগিয়ারঃ

MCB, MCCB, ACB সার্কিট ব্রেকার

HT সুইচগিয়ারঃ

VCB সার্কিট ব্রেকার

প্রশ্নঃ সার্কিট ব্রেকার কি?
উওরঃ সার্কিট ব্রেকার হচ্ছে এক ধরনের সুইচিং ডিভাইস, যা দ্বারা বৈদ্যুতিক সার্কিটকে সাপ্লাই এর সাথে সংযুক্ত ও বিচ্ছিন্ন করা যায়। তবে সার্কিট ব্রেকারের সবচেয়ে বড় কাজ হল,যখন অতিরিক্ত কারেন্ট বা ত্রুটিপুর্ন কারেন্ট লাইনে প্রবাহিত হয়,তা থেকে সার্কিটকে অটোমেটিক রক্ষা করা।

প্রশ্নঃ কি ধরনের সার্কিট ব্রেকার সাবস্টেশনে ব্যবহার করা হয়?
উওরঃ MCB, MCCB, ACB সার্কিট ব্রেকার, VCB সার্কিট ব্রেকার।

প্রশ্নঃ LT & HT সাইডের মেইন কাজ কি?

উওরঃ
HT সুইচগিয়ার মূলত ট্রান্সফরমার কে সাট-ডাউন করানো

LT সুইচগিয়ার মূলত লোড কে কন্ট্রোল করে অথবা রক্ষা করে।

প্রশ্নঃ PFI কি?
পাওয়ার ফ্যাক্টর ইম্প্রোভমেন্ট যা পাওয়ার ফ্যাক্টর ইম্প্রোভমেন্ট করে।

প্রশ্নঃ কেন PFI ব্যবহার করা হয়?
উওরঃ কারন আমাদের ট্রান্সমিশন লাইনে ভোল্টেজ এবং কারেন্ট এর কারনে একটি এঙ্গেল সৃস্টি হয় যা লস হিসাবে ধরা হয়।এই লস কে কমানোর জন্য পাওয়ার ফ্যাক্টর ইম্প্রোভমেন্ট ব্যবহার করা হয়।

প্রশ্নঃ PFI রেটিং কিভাবে নিতে হয়?
উওরঃ ট্রান্সফরমারের রেটিং এর ৬০% হিসাবে নিতে হয়।

প্রশ্নঃ PFI স্টেপ কি এবং কিভাবে স্টপ সিলেকশন করতে হয়?
উওরঃ
ট্রান্সফরমারের রেটিং যদি ১০০কেভি থেকে ২৫০কেভি পর্যন্ত তাহলে ৬ স্টেপের ১টা ট্রান্সফরমারের রেটিং যদি ৩১৫কেভি থেকে ২০০০কেভি পর্যন্ত তাহলে ১২ স্টেপের ১টা ট্রান্সফরমারের রেটিং যদি ২৫০০কেভি থেকে ৪০০০কেভি পর্যন্ত তাহলে ১২ স্টেপের ২টা

প্রশ্নঃ সাবস্টেশনে কিভাবে লোড বের করতে হয়?
উওরঃ ট্রান্সফরমারের রেটিং এর ৮০% হিসাবে নিতে হয়।

প্রশ্নঃ সাবস্টেশনে LT & HT সাইড কোন অংশ কে বলে?

উওরঃ ৩৩কেভি থেকে ১১কেভি পর্যন্ত ট্রান্সমিশন লাইন কে বলা হয় HT সাইড এবং ১১ কেভি থেকে ০.৪কেভি (৪০০ভোল্ট) পর্যন্ত ট্রান্সমিশন লাইন কে বলা হয় LT সাইড।

প্রশ্নঃ জেনারেশন পাওয়ার এবং ডিস্ট্রিবিউশন পাওয়ারের রেটিং দেখাও?
উওরঃ জেনারেশন পাওয়ারঃ ১১কেভি,৩৩কেভি,১৩২কেভি,২৩০কেভি,৪০০কেভি

ডিস্ট্রিবিউশন পাওয়ারঃ ৪০০কেভি,২৩০কেভি,১৩২কেভি,৩৩কেভি,১১কেভি।

প্রশ্নঃ কেন ডিস্ট্রিবিউশন লাইনে ৪০০০কেভির বেশি ট্রান্সফরমার ব্যবহার করা হয় না?
উওরঃ কারন ৪০০০কেভি উপরের ট্রান্সফরমারের জন্য সার্কিট ব্রেকার নেই তাই ব্যবহার করা হয় না।
সাবস্টেশন রিলেটেড জব ভাইবা তে কি কি প্রশ্ন আসতে পারে তার উওর সহ কিছু আইডিয়া দেয়া হল যা উপরে আলোচনা করা হয়েছে,আশা করি তা আপনারা বুঝতে পেরেছেন ,আমি চেষ্টা করেছি, সাবস্টেশন রিলেটেড জব ভাইবা তে কি কি প্রশ্ন আসতে পারে তার কিছু আইডিয়া দেয়ার। ভুল হলে কমেন্ট করে জানাবেন। কারন আমি নিজে এখন ও শিখি ভুল গুলো ধরে দিলে আমার জন্য খুব ভাল হবে। এবং বেশি খারাপ লাগলে ক্ষমার চোখে দেখবেন।

Wednesday, December 11, 2019

রানিং ক্যাপাসিটর এবং সৃটার্টিং ক্যাপাসিটর বুঝার উপায়

রানিং ক্যাপাসিটর আর স্টার্টিং ক্যাপাসিটর দেখতে প্রায় একই রকমের হয়ে থাকে! তবে স্টার্টিং ক্যাপাসিটরের ভ্যলূ বা মান লেখার ধরন আর রানিং ক্যাপাসিটরের ভ্যলূ বা মান লেখার ধরন দেখে কোনটা কোন্ প্রকারের ক্যাপাসিটর তা ভ্যলূ লেখার ধরন দেখে সহজেই বুঝা যায়।

উদাহরণ হিসেবে যেমন:-
রানিং ক্যাপাসিটরের ভ্যলূ লেখা থাকে 8 µF, 10 µF বা 16 µF এভাবে। আর স্টার্টিং ক্যাপাসিটর ভ্যলূ লেখা থাকে 40-70 µF বা 80-120 µF এরকম ভাবে। তবে সব সময় স্টার্টিং ক্যাপাসিটরের ভ্যলূ এরকম ভাবেও লেখা থাকেনা! সে ক্ষেত্রে ক্যাপাসিটরটি একটি 100-200 ওয়াটের লাইট বাল্বের সাথে সিরিজ সার্কিটে কানেকশন করে 220V সাপ্লাই দিয়ে নিশ্চিত ভাবেই বুঝা যাবে যে, ক্যাপাসিটরটি স্টার্টিং না রানিং ?

যদি ক্যাপাসিটরটি রানিং ক্যাপাসিটর হয়, তাহলে সিরিজে লাইট বাল্বটি কম আলো বা ডীম লাইটের মতো আলো করে জ্বলবে! এবং একই সাথে কাপাসিটরটি চার্জ হবে! তারপর কাপাসিটরের টার্মিনাল দুটি স্ক্রু ড্রাইভার দিয়ে শর্ট সার্কিট করলে বিকট্ শব্দকরে কাপাসিটরটি ডিসচার্জ হবে।
আর যদি ক্যাপাসিটরটি স্টার্টিং ক্যাপাসিটর হয়, তাহলে সিরিজ লাইট বাল্বটি বেশি আলো বা পূর্ণ আলো করে জ্বলবে! এবং ক্যাপাসিটরটি চার্জ হবেনা সে ক্ষেত্রে বুঝতে হবে এটি স্টার্টিং ক্যাপাসিটর।

ক্যাপাসিটরের একক ইউনিট হলো Farad এবং (F) দ্বারা ক্যাপাসিটরের ইউনিট প্রকাশ করা হয়।
যেমন:-
1 F = 1000mF (mili Farad)
1mF=1000µF (micro Farad)
1 µF= 1000nF(nano Farad)
1 nF =1000pF(pico Farad)

অনেকে এই “µ” চিহ্ন টাকে ইউ “u” ভেবে ভুল করে! আসলে এটা হলো একটি গ্রিক লেটার বা চিহ্ন এবং এই চিহ্নটির উচ্চারন বা নাম হলো “মিউ”। সাধারনত Farad ভ্যলূর Capacitor আমাদের তেমন খুব একটা দরকার পড়েনা! আমাদের সাধারনত যে সব ভ্যলূর ক্যাপাসিটর প্রয়োজন হয় তা সাধারনত µF ভ্যলূর ক্যাপাসিটর দিয়েই কাজ চলে যায়।

µF= “মাইক্রো ফ্যারাড”এইটা হলো সিম্বলিক বা প্রতিকী অর্থে আর MFD= হলো মাইক্রো ফ্যারাডের শর্টফর্ম।এই দুটো ফর্মের অর্থই একই। মুলত দুটো দিয়েই “মাইক্রো ফ্যারাড” বুঝায়। আশাকরি সবার কাছে এখন বিষয়টি পরিস্কার হয়েছে।

Tuesday, October 15, 2019

সুইচ গিয়ার সম্বন্ধে সাধারন কিছু প্রশ্ন দেখে নেয়া যাক।


১) রিলে কি?
ইহা এমন একটি স্বয়ংক্রিয় যন্ত্র, যা বৈদ্যুতিক সিস্টেমে পুর্ব নির্ধারিত কোন বৈদ্যুতিক শর্তের পরিবর্তনে সাড়া দেয় এবং প্রতিরক্ষার জন্য সার্কিটে সংযুক্ত অন্যান্য প্রটেকটিভ ডিভাইস (সার্কিট ব্রেকার) সমুহকে অপারেট করে।

২) সার্জ ভোল্টেজ কি?
পাওয়ার সিস্টেমে হঠাৎ করে খুব অল্প সময়ের জন্য অস্বাভাবিক ভোল্টেজ বৃদ্ধিকে সার্জ ভোল্টেজ বলে। একে ট্রানজিয়েন্ট ভোল্টেজও বলে।

৩) লাইটনিং বা বজ্রপাত কাকে বলে?
মেঘ এবং আর্থের মধ্যে অথবা মেঘ ও মেঘের মধ্যে অথবা একই মেঘের চার্জ কেন্দ্রের মধ্যে বৈদ্যুতিক ডিসচার্জকে লাইটনিং বা বজ্রপাত বলে।

৪) সার্জ ডাইভারটার কাকে বলে?
সার্জ ডাইভারটার এমন এক ধরনের প্রটেক্টিভ ডিভাইস যা পাওয়ার সিস্টেমে হাই ভোল্টেজ সার্জকে সরাসরি পৃথিবীর মাটিতে প্রেরন করে। একে লাইটনিং এরেস্টারও বলে।

৫) সার্জ অবজারভার কাকে বলে?
সার্জ ডাইভারটার এমন এক ধরনের প্রটেক্টিভ ডিভাইস যা সার্জ এনার্জিকে শোষণের মাধ্যমে সার্জ ভোল্টেজ ওয়েভের পিক মানকে সীমিত করে দেয়। একে সার্জ সাপ্প্রেশরও বলে।

৬) সাব-স্টেশন কাকে বলে?
পাওয়ার সিস্টেম ব্যবস্থায় সাব-স্টেশন এমন এক কেন্দ্র যেখানে এমন সব সরঞ্জামাদির ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বিভিন্ন প্রকার বৈদ্যুতিক বৈশিষ্ট্য যেমন- ভোল্টেজ, এসি/ডিসি কনভার্সন, ফ্রিকুয়েন্সি, পাওয়ার ফ্যাক্টর ইত্যাদির পরিবর্তনে সাহায্য করে, এ ধরনের কেন্দ্রকে সাব-স্টেশন বা বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র বলে।

৭) পাওয়ার লাইন ক্যারিয়ার (PLC) কাকে বলে?
যে লাইনের মাধ্যমে পাওয়ার স্টেশন, সাব-স্টেশন, রিসিভিং স্টেশনে নিজস্ব জরুরী যোগাযোগ ব্যবস্থাপনা টেলিফোনের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয় তাকে পাওয়ার লাইন ক্যারিয়ার (PLC) বলে।

৮) আর্থিং সুইস কি?
ট্রান্সমিশন লাইন রক্ষণাবেক্ষণের সময় লাইনে বিদ্যমান চার্জিং কারেন্টকে মাটিতে পাঠানোর জন্য যে সুইস ব্যবহৃত হয় সেটি আর্থিং সুইস (ES) নামে পরিচিত। আগে আইসোলেটর দিয়ে সার্কিট ডিসকানেক্ট করে আর্থ সুইস দ্বারা লাইনকে আর্থের সাথে সংযোগ করা হয়।

৯) ওয়েভ ট্রাপ কি?
সাব-স্টেশনে ব্যবহৃত ক্যারিয়ার সরঞ্জামাদির মধ্যে ওয়েভ ট্রাপ অন্যতম একটি ডিভাইস, যার মাধ্যমে ট্রান্সমিশন লাইনের ওয়েভকে ফিল্টার করা হয়। পাওয়ার লাইনের মাধ্যমেই কমুনিকেশন ফ্রিকুয়েন্সিও পাঠানো হয়, পরবর্তীতে এই ওয়েভ ট্রাপ দিয়ে কমুনিকেশন ফ্রিকুয়েন্সিকে আলাদা করে শব্দ শক্তিতে রুপান্তর করে টেলিফোন বা যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পন্ন করা হয়।

১০) সুইসিং ইফেক্ট কি?
সুইসিং অপারেশনের সময় পাওয়ার সিস্টেমে ওভার ভোল্টেজ উৎপন্ন হওয়ার প্রক্রিয়াকে সুইসিং ইফেক্ট বলে।

AC

১। AC কে টনে প্রকাশ করা হয় কিন্তু KW-এ প্রকাশ করা হয় না কেন?
২।১ টন সমান কত KW ?
৩। ২ টন AC-তে কত আম্পিয়ার কারেন্ট নেয় Single Phase and Three Phase-এ?
৪।MCB এর সাইজ কত হবে ২ টন ও ১ টন এসি এর জন্য?

১ নং এর উত্তরঃ
এসিকে টনে প্রকাশ করা হয় তার কারন হল প্রতি ঘন্টায় কি পরিমাণ তাপ রোম থেকে remove করতে পারে এর উপর ভিত্তি করে এসিকে তৈরি করা হয়।তার মানে এটা তাপের সাথে সম্পর্কিত। টন হল তাপের একটি একক। কোন এসি যদি প্রতি ঘন্টায় ১২০০০ বিটিউ বা ১০০০ কিলোক্যালরি বা ৪১২০ কিলোজুল তাপ remove করতে পারে তাকে এক টন এসি বলে। এজন্ন এসিকে টন হিসাবে তৈরি হয়।
BTU = British thermal unit

২ নং এর উত্তরঃ
১ টন রেফ্রিজারেশন হল প্রায় ১২০০০ বিটিউ/ঘন্টা এর সমান বা ৩৫১৬.৮৫২৮ ওয়াট এর সমান।
One RT(Refrigeration Ton) = 3.5168528 kW…
1 RT = 3.5168528 kW
1 kW = 0.284345 RT(Refrigeration Ton)
1 kW = 0.28434517 RT
So,
The power P in kW = Power P in RT (Refrigeration Ton) times 3.5168528….
P(kW) = P(RT) × 3.5168528

৩ নং এর উত্তরঃ
মনে করা যাক, 230VAC and Power factor = Cosθ = 0.95,
Single Phase AC system
1 Ton = 3,516.8528 Watts = 3.516 kW.
2 Ton = 2 x 3.516 kW = 7.032kW = 7032W

Power in a Single Phase AC System
আমরা জানি,
P = VxI Cosθ=২ টন= ৭০৩২ ওয়াট

তাহলে
I = P / (V x Cosθ)….. Where Cosθ = Power factor
I = 7032W / (230V x .95)
I(কারেন্ট) = 32.18 A

Three Phase System
মনে করা যাক,
440V and Power factor = Cosθ = 0.85 , P=২ টন=৭০৩২ ওয়াট

আমরা জানি,
P =√3 x VLxIL Cosθ
I = P /( √3xVxCosθ)
I = 7032W / (1.732 x 440V x .85) Where Cosθ = Power factor and √3 = 1.732
I = 10.855 A
তাহলে ২ টন এসি এর কারেন্ট লাগে ১০.৮৫৫ এয়াম্পিয়ার(Three Phase)

৪ নং এর উত্তরঃ
আমরা উপরে ক্যালকুলেশন করে কারেন্ট বের করলাম
Single Phase 32.18 A, Three phase 10.855A
সাধারণত স্টারটিং এর সময় বেশি কারেন্ট টানে ফুল লোড আবস্থায় সব কিছু বিবেচনা করে দেখা যায়
সিঙ্গেল ফেজ এর জন্য 40A MCB Class C and থ্রি ফেজের জন্য 20A Class C MCB ব্যবহার করলে চলবে।

বি. দ্রঃ বর্তমানে মার্কেটে লো কোয়ালিটির MCB পাওয়া যায়। সে সব ক্ষেত্রে রেটিং ঠিক থাকে না।

সবাইকে ধন্যবাদ
....সংগ্রহিত.....

কারেন্ট লিমিটিং রিয়েক্টর


কারেন্ট লিমিটিং রিয়েক্টর মূলত একটি ইন্ডাক্টিভ কয়েল, যা প্রয়োজনের সময় ইন্ডাক্টিভ রিয়েক্ট্যান্স প্রদান করে শর্ট সার্কিট কারেন্টকে সীমিত করে রাখে।

গঠনের উপর ভিত্তি করে এর প্রকার হচ্ছে- ড্রাই টাইপ এয়ার কোরড রিয়েক্টর, আয়রন কোর রিয়েক্টর, ওয়েল ইমার্জড এয়ার কোরড রিয়েক্টর।

অবস্থানের উপর ভিত্তি করে এর প্রকার হচ্ছে-
১।  জেনারেটর রিয়েক্টর,
২। ফিডার রিয়েক্টর,
৩।  বাসবার রিয়েক্টর।

একটি ইন্ডাস্ট্রিতে আগুন লাগার কয়েক টি কারণ হলোঃ


১। লোজ কানেকশন।
২। ওভার লোড
৩। একোর্ড আইন না মেনে কাজ করা।
৪। নিয়মিত ভাবে ওয়্যারিং চেক না করা।
৫। প্যানেল বোর্ড নিয়মিত পরিস্কার না করা।
৬।বিভিন্ন বোর্ড এবং সাব স্টেশনে দাহ্য পদার্থ বা কেমিক্যাল রাখা।
৭। গ্যাসের লাইন নিয়মিত চেক করা,
৮। গ্যাসের ভালব  পরীক্ষা করা ইত্যাদি